বহুকাল পর আলমারি খুললেন? তাকে সাজানো পোশাক। এই যে বেনারসি। ওই যে গত পুজোর কাঞ্জিভরম। কিন্তু ওই যে ওই শাড়িটায় কীসের দাগ? ওহ, মনে পড়ে গিয়েছে। ছোটমামার বিয়েতে খাসির মাংসের ছিটেফোঁটা ঝোল পড়ে গিয়েছিল। অথচ খরচের ভয়ে কি ড্রাই ক্লিনিং করা হয়নি? সেই দাগ তো রয়েই গিয়েছে। তাহলে কী হবে? লন্ড্রি ছাড়া উপায় কি নেই? আলবাত আছে। এবার লন্ড্রির খরচ বাঁচিয়ে ঘরে বসেই দামি শাড়ি রাখুন নতুনের মতো উজ্জ্বল। তা সে বেনারসি হোক বা দামি সিল্ক। ঘরোয়া উপায়েই দূর হবে নতুন পোশাকের দাগ-ময়লা।
প্রতীকী ছবি
শাড়িতে দাগ লাগলে শুরুতেই ঘাবড়ে যাবেন না। ঘরোয়া উপায়েই মিলবে সমাধান। দাগ লাগা অংশে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিলেই কেল্লাফতে। তবে সিল্কের কাপড়ে লেবু ব্যবহারের আগে একটু সাবধানতা জরুরি। শাড়ির আঁচলের কোণে সামান্য লেবুর রস দিয়ে আগে পরীক্ষা করে নিন। যদি কাপড়ের রং চটে যায়, তবে এই পদ্ধতি এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
দামি শাড়ি ধোয়ার ক্ষেত্রে সঠিক ডিটারজেন্ট বেছে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাধারণ ওয়াশিং পাউডারের কড়া রাসায়নিক শাড়ির তন্তুর মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই সিল্ক বা বেনারসি কাচতে সবসময় মৃদু বেবি শ্যাম্পু অথবা লিকুইড ক্লিনজার ব্যবহার করুন। একটি বড় গামলায় ঠান্ডা জল নিয়ে তাতে সামান্য শ্যাম্পু গুলে নিন। এবার শাড়িটি মাত্র ৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন।
প্রতীকী ছবি
ভারী কাজ করা শাড়ি ধোয়ার সময় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। জড়ি বা এমব্রয়ডারির কাজ থাকলে ভুলেও ব্রাশ দিয়ে ঘষবেন না। জলের মধ্যে আলতো করে ওপর-নিচ করে নিংড়ে নিলেই পরিষ্কার হবে। কাচার পর শাড়ি কড়া রোদে রাখবেন না। ছায়ায় মেলে শুকিয়ে নিন। এতে শাড়ির রং ও জেল্লা দুই-ই থাকবে অটুট।
