দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে বালিশ নষ্ট হয়ে যায়। কখনও তা শক্ত হয়ে যায়। তার ফলে ঘাড়ে ব্যথার সমস্যা দেখা দেয়। আবার কখনও বালিশের উপরের কভার কালো, তেল চিটে দাগ হয়ে যায়। বহু গৃহস্থই ভাবেন বালিশ ফেলে দেবেন। তবে জানেন কি, নিত্যদিন ব্যবহার করা বালিশ ফেলে দেওয়ার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। চাইলে বিকল্প পদ্ধতিতে তা আবার ব্যবহার করা যায়। জেনে নিন কীভাবে করবেন ব্যবহার।
বাড়িতে যে বালিশগুলি ব্যবহার করতে পারছেন না। সেগুলি খোলামেলা ব্যালকনি কিংবা বাগানে বসার সময় ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে ব্যালকনি কিংবা বাগানে বেঞ্চ বা চেয়ারের ব্যবস্থা করুন। ওই চেয়ার কিংবা বেঞ্চে আরামে বসার জন্য পুরনো বালিশ ব্যবহার করতে পারেন। তাতে বালিশের নতুন করে আর ক্ষতির আশঙ্কা নেই।
পুরনো বালিশ দিয়ে বাড়িতে অতিরিক্ত বসার জায়গার বন্দোবস্ত করে ফেলতে পারেন। সেক্ষেত্রে ঘরের কোনও এক কোণে একটি তোষক ফেলে দিন। ওই তোষকে একটু জিরিয়ে নিতে পারেন। আবার বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে জমাটি আড্ডাও চলতে পারে। সেই সময় আরামের জন্য পুরনো বালিশ ব্যবহার করুন। বালিশের উপরের পুরনো কভার বদলে নিন। তাতে আবারও নতুন রূপ ফিরে পাবে বালিশ।
বালিশের মুখ কেটে ভিতরের তুলো বের করে নিন। প্রয়োজনে অন্য বালিশ কিংবা সফট টয়ের মধ্যে ওই তুলো ঢুকিয়ে দিন। তাতে পুরনো বালিশের তুলো নষ্ট হবে না। বরং অন্যান্য বালিশ কিংবা সফট টয়ের প্রয়োজনীয় তুলোর জোগানও দেওয়া সম্ভব হবে।
কাচের বাসনপত্র বহু গৃহস্থ বাড়িতে সাধারণত রোজ ব্যবহার করা হয় না। বাক্সে
ভরে কোথাও ঢুকিয়ে রাখা হয়। সেক্ষেত্রে পুরনো বালিশের ভিতরে থাকা তুলো বের করে নিন। বাক্সের মধ্যে ওই তুলো রেখে কাচের বাসনপত্র রাখুন। তাতে তা সুরক্ষিত থাকবে। কোনও বৈদ্যুতিন সামগ্রী সরক্ষণের ক্ষেত্রেও এই পন্থা ব্যবহার করতে পারেন।
বহু পশুপ্রেমী সংগঠন অনেক সময় সারমেয়দের জন্য বালিশ, তোষক দান করার আর্জি জানান। একেবারে ফেলে না দিয়ে তেমন কোনও সংগঠনকে দিতে পারেন। তাতে নষ্ট হবে না বালিশ। বরং কাজে লাগবে।
অনেক সময় নিচু কোনও জায়গায় হাঁটু মুড়ে বসে কাজ করতে সমস্যা হয়। সেই সময় পুরনো বালিশ ব্যবহার করতে পারেন। তাতে সমস্যা হবে না। বাগানে কাজের ক্ষেত্রেও এভাবে বালিশ ব্যবহার করতে পারেন।
তাই বাড়ির পুরনো বালিশ ফেলে দেওয়ার আগে একবার ভেবে দেখুন।
