কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যুতেও হুঁশ ফেরেনি প্রশাসনের! ফের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের পানীয় জলে বিষের প্রভাব! জল পান করে অসুস্থ হলেন অন্তত ২২ জন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ভর্তি করা হল হাসপাতালে। এই ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের ভূমিকা।
জানা গিয়েছে, এবারের ঘটনা ইন্দোরের মহৌ এলাকার। এই অঞ্চলে একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েন বহু মানুষ। স্থানীয়দের দাবি, দূষিত জন পান করেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তাঁরা। অসুস্থদের মধ্যে ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁদের। বাকিদের বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই নানা জায়গা থেকে অসুস্থতার খবর আসতে থাকে। একই উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভিড় জমাতে শুরু করেন সাধারণ মানুষ। অসুস্থের সংখ্যা অন্তত ২২ বলে জানা যাচ্ছে। যত সময় গড়াচ্ছে এলাকার নানা জায়গা থেকে অসুস্থতার খবর মিলছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হাসপাতালে যান জেলাশাসক শিবম বর্মা। সবমিলিয়ে নতুন করে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে ইন্দোরে।
স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই মহৌ এলাকায় নানা জায়গা থেকে অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়। শুক্রবার সকালেই এলাকায় পৌঁছয় স্বাস্থ্যবিভাগের এইতি দল। অসুস্থতার খবর পেলেই এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসা শুরু করেছেন চিকিৎসকরা। প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইন্দোরে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়, এর আগে ভগীরথপুরায় এই ধরনের সমস্যা গুরুতর আকার নেয়। জানা যায়, ভগীরথপুরায় থানার কাছের একটি পাইপে ফাটলের জেরে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়। যেখানে পাইপ ফেটেছিল তার উপরেই একটি শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই শৌচাগারের জল চুঁইয়ে পড়ে পানীয় জলে মিশে জলকে বিষাক্ত করে তোলে। যে জল পান করার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন শতাধিক মানুষ। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর আকার নেয় যে অসুস্থতার জেরে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়। যদিও স্থানীয়দের দাবি, বমি ও ডায়েরিয়ার জেরে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এবার সেই ছবিই দেখা গেল মহৌ এলাকার।
