২০২৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর লাদাখের পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুককে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় আটক করা হয়েছিল। প্রায় ছয় মাস বন্দি থাকার পর মুক্তি পান তিনি। শনিবার তাঁকে যোধপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে ছাড়া হয়। কারামুক্তির পর সংবাদমাদ্যমের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে ওয়াংচুকের চাঞ্চল্যকর দাবি, তাঁকে ‘ধরে-বেঁধে জেলের অন্ধকারে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।’ এমনকি, প্রায় ‘দশ দিন পরিবারের সদস্য বা নিজের আইনি উপদেষ্টা দলের কারও সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হয়নি।’
প্রখ্যাত এই পরিবেশকর্মী আরও জানিয়েছেন, ‘‘সরকার এবং জনগণ, শর্তপূরণের নিরিখে দু’পক্ষকেই আরও বেশি নমনীয় হতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেকটা লেনদেন প্রক্রিয়ার মতো। উভয় পক্ষকেই নমনীয় হতে হয়। বিবেচনা করতে হয়। সহানুভূতিশীল হতে হয়।’’ ওয়াংটুকের মতে, ‘‘আমি বিক্ষোভ-প্রতিবাদে বসতে কখনওই চাইনি। কিন্তু বাধ্য হয়েছিলাম বসতে। আমরা কোনওদিন এ সব কিছু করতে চাইনি। আমাদের হাতে হাত মিলিয়ে সমস্যার সমাধান খোঁজা উচিত। দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করা উচিত।’’ কারাবাস প্রসঙ্গে তাঁর প্রতিক্রিয়া, ‘‘১২ মাস থাকতে হবে, এমন মানসিক প্রস্তুতি ছিল আমার।’’
‘ধরে-বেঁধে জেলের অন্ধকারে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।’ এমনকি, প্রায় ‘দশ দিন পরিবারের সদস্য বা নিজের আইনি উপদেষ্টা দলের কারও সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হয়নি।’
প্রসঙ্গত, ওয়াংচুকের কারামুক্তি নিয়ে শনিবারই কেন্দ্র জানিয়েছিল–সরকার লাদাখে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। লাদাখে সমস্ত পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা আরও সহজ করাই সরকারের উদ্দেশ্য । আর সেই কথা মাথায় রেখেই, যথাযথ বিবেচনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ওয়াংচুককে আটক করে রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে।
