Advertisement

স্বশাসিত রাজ্যের দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি অসমের বিজেপি সাংসদ ও বিধায়কদের

06:08 PM Jan 06, 2021 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কার্বি আংলং অঞ্চলের জন্য স্বশাসিত রাজ্যের দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন অসমের এক বিজপি সাংসদ ও পাঁচ বিধায়ক। বহুদিন ধরেই অসমের পাহাড়ি অঞ্চলটির তিনটি জেলা–কার্বি আংলং, ওয়েস্ট কার্বি আংলং ও ডিমা হাসাওকে মিলিয়ে একটি স্বশাসিত রাজ্যের দাবি জোরালো হচ্ছিল। এবার ফের বিতর্কিত ইস্যুটি নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অতিমারীতে বন্ধ থাকুক প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান, শশী থারুরের প্রস্তাবে পালটা তোপ কেন্দ্রের]

এই মুহূর্তে অসমের (Assam) বিভিন্ন প্রান্তে তফসিলি উপজাতিদের ৯টি স্বশাসিত পরিষদ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, অটোনমাস কাউন্সিল অফ বড়োল্যান্ড, অটোনমাস কাউন্সিল অফ কার্বি আংলং, নর্থ কাছাড় হিলস ইত্যাদি। কিন্তু তারপরও ক্রমে জোরালো হচ্ছে স্বশাসিত রাজ্য (Autonomous state) গঠনের দাবি। এবার অসমের কার্বি আংলং, ওয়েস্ট কার্বি আংলং ও ডিমা হাসাও জেলাকে নিয়ে একটি স্বশাসিত রাজ্য তৈরির দাবি জানিয়েছেন অটোনমাস ডিস্ট্রিক্ট লোকসভা আসনের বিজেপি সাংসদ হরেন সিং বে ও ওই অঞ্চলের পাঁচ বিজেপি বিধায়ক। ভারতীয় সংবিধানের ২৪৪এ ধারা বলবৎ করে অসমের মধ্যেই এই স্বশাসিত রাজ্য গঠনের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এই ধারা অনুযায়ী অসমের মধ্যে পূর্ণ আইনসভা ও মন্ত্রিপরিষদ সমেত স্বশাসিত রাজ্য গঠন করা যায়। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাংসদ হরেন সিং বে বলেন, “পাহাড়ি অঞ্চলের জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমার দায়িত্ব। আমি সেই কাজটাই করেছি। বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পাহাড়ি অঞ্চলের জনতা স্বশাসিত রাজ্যের দাবি জানিয়ে আসছে। সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করেছে কেন্দ্র। তাই আমার মনে হয় এবার ২৪৪এ ধারা বলবৎ করার জন্য কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়ানো উচিত।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ ডিসেম্বর গুয়াহাটিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন অটোনমাস কাউন্সিল অফ কার্বি আংলংয়ের এগজিকিউটিভ মেম্বার তুলিরাম রংহাং, সাংসদ হরেন সিং বে ও পাঁচ বিধায়ক। সেখানেই ভারতীয় সংবিধানের ২৪৪এ ধারা বলবৎ করার দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে একটি স্মারকপত্র তুলে দেন তাঁরা। চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করতে নয়াদিল্লি যাবেন তাঁরা। সূত্রের খবর, স্বশাসিত রাজ্যের দাবি মানতে নারাজ সরকার। বিশ্লেষকদের মতে, তফসিলি উপজাতিদের নিজস্ব পরিচয় ও সংস্কৃতি বজায় রাখতে পৃথক স্বশাসিত পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এছাড়া, রাজ্যের মধ্যে স্বশাসিত আরও একটি রাজ্য গঠন করলে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাবে।

[আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের লাভ জেহাদ বিরোধী আইন কি আদৌ বৈধ? খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট]

Advertisement
Next