shono
Advertisement
Nitin Nabin

নবীন উচ্ছ্বাসে বঙ্গজয়ের লক্ষ্যে গেরুয়া শিবির! চলতি মাসেই রাজ্য সফরে বিজেপির নয়া সভাপতি

সূত্র অনুযায়ী, নীতীন নবীন রাজ্য, জেলা ও মণ্ডল স্তরের নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন। একটি বড় জনসভা করারও কথা রয়েছে তাঁর।
Published By: Subhajit MandalPosted: 12:55 PM Jan 22, 2026Updated: 02:02 PM Jan 22, 2026

নবীন উচ্ছ্বাসে বঙ্গজয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি। সভাপতি হওয়ার পর প্রথম বৈঠকেই বাংলায় নজর দেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন। এবার তিনি নিজেই মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিলেন। নবীন আগামী ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি দু'দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন। দলীয় সূত্রের খবর, এই সফরে একাধিক সাংগঠনিক বৈঠকের পাশাপাশি বর্ধমানে একটি বড় জনসভা করবেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্য বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।

Advertisement

সূত্র অনুযায়ী, নীতীন নবীন রাজ্য, জেলা ও মণ্ডল স্তরের নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন। এই বৈঠকগুলিতে নির্বাচনী রণকৌশল, কর্মী সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং বুথ স্তরে সংগঠন মজবুত করার বিষয়ে দিকনির্দেশ দেবেন বিজেপি সভাপতি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাজনৈতিক বার্তা তৃণমূল স্তরের কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হবে। বর্ধমানের জনসভা থেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানানোর পাশাপাশি বিজেপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিশা ও উন্নয়নমূলক এজেন্ডা তুলে ধরবেন নীতীন। দলের আশা, এই সফর রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

নীতীন নবীনের সঙ্গে মোদি। ফাইল ছবি।

আসলে দলের কার্যকারী সভাপতি হওয়ার পর থেকেই নীতীন বাংলাকে পাখির চোখ করছেন। প্রথম বৈঠকেই দলের কর্মীদের বলে দিয়েছেন, তাঁর প্রাথমিক দায়িত্ব হবে দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করা। প্রকাশ্যেও বলে দেন, "সংগঠনটি নিচ থেকে উপর পর্যন্ত এতটাই শক্তিশালী যে আমরা বাংলাতেও জিতব।” এবার নিজেই সেই সংগঠনের হাল হকিকত খতিয়ে দেখতে বাংলায় আসছেন নবীন।

সূত্র অনুযায়ী, নীতীন নবীন রাজ্য, জেলা ও মণ্ডল স্তরের নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন। এই বৈঠকগুলিতে নির্বাচনী রণকৌশল, কর্মী সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং বুথ স্তরে সংগঠন মজবুত করার বিষয়ে দিকনির্দেশ দেবেন বিজেপি সভাপতি।

নবীন একা নন, বিজেপি এবারও কেন্দ্রীয় নেতাদের দিয়ে পর পর সভা করিয়ে বাংলায় ভোটের হাওয়া তৈরির চেষ্টা করছে। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্যে প্রায় দু’ডজনের বেশি জনসভা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছে রাজ্য নেতৃত্ব। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোট ঘোষণার আগে দশটি এবং ভোট ঘোষণার পরে আরও অন্তত দশটি জনসভায় ভাষণ দেবেন নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই তিনি ছটি জনসভা সেরে ফেলেছেন। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই বাকি চারটি জনসভাও সম্পন্ন হবে বলে প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের পরেই রাজ্যে আসার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহেরও। ভোটের আগে শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনঘন সফরের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement