চার রাজ্যে ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটের মুখে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। বলা ভালো, বাজেট অধিবেশন, যেটা কিনা ২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা ছিল, সেটা এখন শেষ হচ্ছে না। বরং এই বাজেট অধিবেশনেরই আরেকটা অংশ হিসাবে ১৬-১৮ এপ্রিল তিন’দিনের বিশেষ অধিবেশন হবে বলে সূত্রের খবর। কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা বলছে, মোদি সরকার আসলে ভোটে ফায়দা তুলতেই ওই অধিবেশন ডেকেছে।
সূত্রের খবর, ওই তিন'দিনের অধিবেশনে পেশ করা হতে পারে মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল। লোকসভা আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮১৬ করার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হতে পারে। যদিও কংগ্রেসের অভিযোগ, এই অধিবেশন ডাকার মূল উদ্দেশ্য আসলে আইন প্রণয়ন নয়। বরং বিজেপি চেষ্টা করছে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে। এভাবে সংসদের অধিবেশন ডাকা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ বলেও দাবি হাত শিবিরের।
ওই তিন'দিনের অধিবেশনে পেশ করা হতে পারে মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল। লোকসভা আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮১৬ করার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
কংগ্রেস নেতা জয়ারাম রমেশের দাবি, এই অধিবেশনের একমাত্র উদ্দেশ্য পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুর নির্বাচনে প্রভাব তৈরি করা। তাঁর বক্তব্য, মহিলা সংরক্ষণ বিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে এত তাড়াহুড়ো করার আছে টা কী? ভোটের পর অনায়াসেই সেটা করা যেত। তাছাড়া ভোটের জন্য অধিকাংশ বড় নেতা প্রচারে ব্যস্ত। তাছাড়া ভোটমুখী রাজ্যগুলির সাংসদরাও অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন না। সবাই প্রচারে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ হতে পারে না।
যদিও সব অভিযোগ খারিজ করে দিচ্ছে সরকার। বিজেপি সূত্র বলছে, সংসদের অধিবেশন নিয়ম মেনেই ডাকা হয়েছে। এটা কোনওভাবেই নির্বাচনী বিধিভঙ্গ নয়। আইন প্রণয়নের জন্য যে কোনও সময় অধিবেশন ডাকা যেতে পারে। তাছাড়া মহিলা সংরক্ষণ, আসন পুনর্বিন্যাস জরুরি বিষয়। এসব নিয়ে দ্রুত আলোচনা প্রয়োজন।
