সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূলের চাপ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) নির্বাচন কমিশন অভিযান করার পরই বাংলার ৯১ লক্ষের বেশি লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির বিবরণ তৈরি করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। যা সূত্র মারফৎ প্রকাশ করেছে একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম। প্রাথমিকভাবে এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির অভিযোগ ১ কোটি ৩৬ লক্ষ বলে জানানো হলেও কমিশন এই মুহূর্তে ৯১.৪৬ লক্ষ ভোটারের হিসাব দিয়েছে।
কমিশনের দেওয়া হিসাব বলছে সেলফ ম্যাপিং বা প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের সময় ২০০২ সালের সঙ্গে নামের গরমিল পাওয়া গিয়েছে প্রায় ৫১ লক্ষ ভোটারের। অর্থাৎ ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও সর্বশেষ ভোটার তালিকার সঙ্গে নামের বানানের গরমিলের জন্য এই ৫১ লক্ষ মানুষকে শুনানির হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অথচ অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় এই ভুলগুলি আধিকারিকদের গাফিলতির জন্যই হয়।
এর বাইরে বাকি ভোটারদের ডাকার পিছনে খানিকটা গ্রহণযোগ্য যুক্তি দিয়েছে। কমিশনের দাবি, এক পিতার ৬ বা তার বেশি সন্তান দেখানো হয়েছে এমন ভোটারের সংখ্যা ২৪ লক্ষ। বাবার সঙ্গে বয়সের পার্থক্য ১৫ বছর তা তারও কম, এমন ভোটার প্রায় ৪.৭৫ লক্ষ। ঠাকুরদা বা ঠাকুমার সঙ্গে বয়সের পার্থক্য ৪০ বছরেরও কম, এমন ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ। আবার উলটো উদাহরণও রয়েছে ৮.৪১ ভোটার এমন রয়েছেন যাঁদের বাবার সঙ্গে বয়সের পার্থক্য ৫০ বছরের বেশি। কমিশন বলছে, এই ভোটারদের ম্যাপিং পাওয়া গেলেও সেগুলি যুক্তিযুক্ত নয়।
উল্লেখ্য, বাংলায় এসআইআর (SIR in Bengal) খসড়ায় ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। আবার কমিশন সূত্র বলছে, আরও প্রায় ৩০ লক্ষ ভোটারের কোনওরকম ম্যাপিংই পাওয়া যায়নি। এরপর আরও ৯১ লক্ষের এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি। সব মিলিয়ে আরও বহু ভোটারের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও সংশয় রয়েছে।
