shono
Advertisement
Lieutenant General Dhiraj Seth

ড্রাগনের ‘রক্তচক্ষু’ ‘চিকেনস নেক’-এ! নয়া সেনাপ্রধানের নাম ঘোষণা কেন্দ্রের, উপেন্দ্র দ্বিবেদীর উত্তরসূরি কে?

দীর্ঘ সামরিক জীবনে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও  সংবেদনশীল এলাকায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়াও মরু এলাকায় একটি আর্মার্ড রেজিমেন্ট, পশ্চিম সীমান্তে একটি আর্মার্ড ব্রিগেড এবং জম্মু ও কাশ্মীরে একটি কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি ফোর্সের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ভারতীয় সেনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুদর্শন চক্র কোরের নেতৃত্বও তিনি দিয়েছেন।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 04:02 PM Jun 13, 2026Updated: 05:36 PM Jun 13, 2026

'চিকেনস নেক' বা শিলিগুড়ি করিডরে চিনের 'রক্তচক্ষু'। এই পরিস্থিতিতে দেশের নয়া সেনাপ্রধানের (চিফ অফ আর্মি স্টাফ) নাম ঘোষণা করল কেন্দ্র। শনিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর উত্তরসূরি হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠ। বর্তমানে তিনি সেনাবাহিনীর উপ সেনাপ্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ৩০ জুন তিনি সেনাপ্রধান পদে আসীন হবেন। সেনাবাহিনীকে আধুনিকীকরণে ধীরজ শেঠ বারবার সওয়াল করেছেন। শুধু তাই নয়, দক্ষিণী কমান্ডের প্রধান থাকাকালীন তিনি এআই ড্রোন, নতুন প্রজন্মের সামরিক সরঞ্জাম এবং প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধ ব্যবস্থার উপরও জোর দিয়েছেন।

Advertisement

দীর্ঘ সামরিক জীবনে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও  সংবেদনশীল এলাকায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরজ শেঠের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়াও মরু এলাকায় একটি আর্মার্ড রেজিমেন্ট, পশ্চিম সীমান্তে একটি আর্মার্ড ব্রিগেড এবং জম্মু ও কাশ্মীরে একটি কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি ফোর্সের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ভারতীয় সেনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুদর্শন চক্র কোরের নেতৃত্বও তিনি দিয়েছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ধীরজ শেঠ দক্ষিণ পশ্চিম কমান্ড এবং দক্ষিণ কমান্ড - দুই গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল কমান্ডের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ভারতীয় সেনায় এমন দায়িত্ব পালনকারী আধিকারিকের সংখ্যা খুবই সীমিত। আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত পরিকল্পনা, বাহিনীর ব্যবস্থাপনা এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, সেনার আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়াতেও ধীরজ শেঠের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। কৌশলগত পরিকল্পনা ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি থেকে তিনি ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রের প্রয়োজনীয়তা এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে সেনার প্রয়োজনকে সমন্বয় করার কাজ করেছেন। সামরিক শিক্ষার ক্ষেত্রেও তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে পাকিস্তান নয়, চিনকে মোকাবিলা করতেই প্রস্তুতি নিচ্ছে সেনা। এই পরিস্থিতিতে ধীরজ শেঠের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিকীকরণের উপর জোর দেওয়ার মানষিকতার উপর ভর করে ভারতীয় সেনা ভবিষ্যতের যুদ্ধ প্রস্তুতিতে বহুদূর এগিয়ে যাবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement