ASEAN সামিটে নাম না করে দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে বেজিংকে কড়া বার্তা রাজনাথের

06:53 PM Jun 16, 2021 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-প্রশান্ত (Indo-Pacific) মহাসাগরীয় অঞ্চলে মুক্ত ও স্বাধীন বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষেই রয়েছে ভারত (India)। এই অঞ্চলে প্রত্যেকটি দেশেরই নিজের নিজের সার্বভৌমত্ব এবং সীমান্ত রক্ষার অধিকার রয়েছে। দক্ষিণ চিন সাগরের (South China Sea) বর্তমান পরিস্থিতিই গোটা বিশ্বের নজর সেদিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। আশিয়ান (ASEAN Defence Ministers) গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের ভারচুয়াল বৈঠকে নাম না করে প্রতিবেশি চিনকে (China) এই বার্তাই দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

Advertisement

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বরাবরই আধিপত্য বিস্তারের স্বপ্ন রয়েছে লাল চিনের। বিশেষ করে দক্ষিণ চিন সাগর বরাবর অন্যান্য দেশকে চাপে রেখে নিজেদের কৃতিত্ব স্থাপন করতে চেয়েছে বেজিং। বিগত কয়েক বছর ধরেই দক্ষিণ চিন সাগরে সামরিক পরিকাঠামো গড়ে তুলছে বেজিং। প্রায় গোটা জলরাশিটাই নিজেদের বলে দাবি করে কমিউনিস্ট দেশটি। পালটা, সেখানে আণবিক শক্তি চালিত যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী পাঠিয়ে শক্তিপ্রদর্শন করছে আমেরিকা (America)। বিশ্লেষকদের মতে, ‘ড্রাগন’কে রুখতে বদ্ধপরিকর আমেরিকা। সদ্য সমাপ্ত জি ৭ বৈঠকের মঞ্চেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (Joe Baiden) মুখে শোনা গিয়েছে সংঘাতের সুর। তবে শুধু দক্ষিণ চিন সাগর নয়, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বরাবরই কৃতিত্ব কায়েম করতে সচেষ্ট জিনপিং সরকার। কখনও জাপান, কখনও ফিলিপিন্স তো কখনও আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে বেজিং। এই পরিস্থিতিতেই এবার নাম না করে চিনকে বার্তা রাজনাথের।

[আরও পড়ুন: রাতারাতি ২৫ শতাংশ পড়ল শেয়ারের মূল্য! আম্বানির প্রতিপক্ষ হওয়ার পথে বড় ধাক্কা আদানি গোষ্ঠীর]

এদিন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, দক্ষিণ চিন সাগর-সহ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় সবসময় স্থিতাবস্থা জারির পক্ষে রয়েছে ভারত। এই এলাকায় আন্তর্জাতিক জলসীমায় ন্যাভিগেশনের স্বাধীনতা, বিমান চলাচল এবং মুক্ত বাণিজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন রাজনাথ সিং। পাশাপাশি চিনের নাম না করে বলেন, “দক্ষিণ চিন সাগরে অশান্তির যে পরিবেশ রয়েছে, তার দিকে এখন গোটা বিশ্ব তাকিয়ে রয়েছে। আগামিদিনে এই এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় আরও নতুন নতুন বাধার সম্মুখীন হতে হবে। ভারত তাই এই অঞ্চলে স্বাধীন মুক্ত বাণিজ্য এবং স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে। এই এলাকার প্রতিটি দেশের নিজের সার্বভৌমত্ব এবং সীমানা রক্ষার অধিকার রয়েছে। ভারত আশা করছে, আলোচনার মাধ্যমে এই এলাকায় যাবতীয় বিবাদের মীমাংসা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সমস্ত আইন-কানুনও মানা হবে।” তবে এখানেই শেষ নয়, পাকিস্তানের নাম না করেই এই সম্মেলনে তোপ দাগেন তিনি। রাজনাথ সিং বলেন, “যারা সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়, অর্থ দেয় এবং সহায়তা করে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।” এফএটিএফ-এর সদস্য হিসেবে সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী যুদ্ধে ভারত প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অবস্থান স্পষ্ট করে এদিন জানান তিনি।

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: নতুন করোনা টিকা আনছে সেরাম, সেপ্টেম্বরেই বাজারে আসতে পারে Covovax]

Advertisement
Next