হাই ভোল্টেজ বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রে। বৃহন্মুম্বই পুর কর্পোরেশন-সহ ২৯টি স্থানীয় প্রশাসনের নির্বাচন চলছে। এরমধ্যে সন্থেকে বেশি উত্তেজনা রয়েছে, বিএমসি-র নির্বাচন নিয়ে। সেই নির্বাচনেই কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন ঠাকরে ভাইরা। তাহলে কী ফের একবার গেরুয়া ঝড়ে উড়ে যেতে চলেছে বিরোধীরা? তাই আগে থেকেই হারের পিছনে অজুহাত তৈরির চেষ্টা করছে উদ্ধবের শিবসেনা, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
শিবসেনা (ইউবিটি) প্রধান উদ্ধব ঠাকরে বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের পুর নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, এটি গণতন্ত্রকে "হত্যা" করার প্রচেষ্টা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পুর কর্পোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে বরখাস্ত করারও দাবি করেছেন।
নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের মধ্যে যোগসাজশের অভিযোগ এনে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার দীনেশ ওয়াঘমারেকে বরখাস্ত করার দাবি জানান উদ্ধব। তিনি বলেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সংবিধান বিরোধী সংস্থা।
জানা গিয়েছে, বিকেল ৩:৩০ পর্যন্ত, মুম্বইয়ের মোট ৩.৪৮ কোটি ভোটারের মধ্যে ৪১.০৮ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। পাশাপাশি, এমন এলাকা যেখানে মারাঠি ভোটারদের সংখ্যা বেশি, সেখানে তারা বিপুল সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই নির্বাচনগুলি প্রায় ১৬ হাজার প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবে। অন্যান্যবারের মতই দক্ষিণ মুম্বইয়ের তুলনায় বান্দ্রা এবং বোরিভালির মতো শহরতলির এলাকায় বেশি ভোট পড়েছে। এই নির্বাচনে মারাঠি ভোট অন্ত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। চূড়ান্ত ভোটদানে পূর্ববর্তী রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।
এই নির্বাচন প্রথম থেকেই মারাঠি ভোটকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দুই শিবির থেকেই 'মারাঠি অস্মিতা'য় শান দেওয়া হয়েছে অহরহ। দুই পক্ষেরই দাবি, আগামী মেয়র হবেন একজন মারাঠি। এই অবস্থায় কোন শিবিরে আস্থা রাখবে মারাঠি ভোট ব্যাঙ্ক তা জানা যাবে শুক্রবার। কিন্তু, গণনা শুরু আগেই নির্বাচন কমিশনকে উদ্ধবের আক্রমণ, ভোটারদের মধ্যে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
