ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যৌন হেনস্থার ইঙ্গিত মিলেছিল। তা আরও স্পষ্ট হল ফরেনসিক রিপোর্ট আসার পর। পাটনায় নিট পরীক্ষার্থীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে এবার তাঁর পোশাক থেকে মিলল বীর্যের নমুনা। এমনটাই জানা গিয়েছে তদন্তকারীদের সূত্রে। অন্য দিকে, তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে কদমকুয়াঁ থানার অতিরিক্ত ওসি হেমন্ত ঝা এবং চিত্রগুপ্ত নগর থানার সাব-ইনস্পেক্টর রোশনি কুমারীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হয়েছে।
চলতি মাসেই পাটনার একটি ছাত্রীনিবাস (গার্লস হস্টেল) থেকে বছর আঠারোর ওই তরুণীকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালেও। কিন্তু সেখানে কয়েক দিন কোমায় থাকার পর মৃত্যু হয় ওই তরুণীর। পরিবার জানিয়েছে, ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতেই হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই হস্টেলেই তাঁকে যৌন হেনস্তা করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেছে তরুণীর পরিবার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়তেই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে প্রশাসন।
পটনা পুলিশ সুপারের দপ্তর জানিয়েছে. তরুণীর পোশাকে বীর্যের নমুনা মিলেছে। গত ১০ জানুয়ারি পুলিশের হাতে তরুণীর ওই পোশাক তুলে দেয় তাঁর পরিবার। তারপর পুলিশ ওই পোশাক ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠায়। পুলিশ সূত্রে খবর, সেই বীর্য থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে তা অভিযুক্তদের ডিএনএর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে।
প্রসঙ্গত, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তরুণীর যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্ন মিলেছিল। এছাড়াও নখের আঁচড়ের দাগ মিলেছে শরীরে। তদন্তে নেমে হস্টেল মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মৃতার পরিবারকে সবরকম আইনি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জন সুরাজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোর।
