নোবেল পুরস্কারের জন্য এতখানি মরিয়া আগে কাউকে দেখিনি। জয়পুর সাহিত্য উৎসবে এই মন্তব্য করলেন নোবলে শান্তি পুরস্কার জয়ী সমাজকর্মী, লেখক কৈলাশ সত্যার্থী। গতকাল ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল পুরস্কারটি তুলে দেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো। এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প না করেও বিষয়টি সমালোচনা করেন সত্যার্থী।
২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান মাচাদো। কিন্তু দিনকয়েক আগেই ঘোষণা করেছিলেন, নিজের পুরস্কার তিনি তুলে দিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে। সেই মতোই বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মাচাদো। এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেন নিজের নোবেল পুরস্কারটি। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রীর মতে, নোবেল পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার ট্রাম্প। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নিজের নোবেল পুরস্কার ভাগ করে নিতে চান তিনি।
জয়পুর সাহিত্য উৎসবে নিজের নতুন বই উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে সত্যার্থী বলেন, “নোবেল কমিটি খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে এই পুরস্কার হস্তান্তরযোগ্য নয়, যে খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।" এর পরেই মার্কিন প্রেসিডন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম না করে সত্যার্থী বলেন, "নোবল পুরস্কারের জন্য এতখানি মরিয়া আগে কাউকে দেখিনি।"
উল্লেখ্য, বারবার নিজেকে নোবেল পুরস্কারের যোগ্য বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। মাচাদো তাঁর হাতে নিজের পুরস্কারটি তুলে দেওয়ায় বেজায় আনন্দিত তিনি। পুরস্কার হস্তান্তরের পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মাচাদো বলেন, “নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দিয়েছি মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে। আমাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিতে তিনি যে পদক্ষেপ করেছেন, সেটার কৃতজ্ঞতা হিসাবেই এই পুরস্কার তুলে দিলাম।” অন্যদিকে নোবেল পুরস্কার হাতে পেয়ে একগাল হেসে ট্রাম্প বলেন, “যে কাজটা আমি করেছিলাম সেটার পুরস্কার পেয়েছিল মারিয়া। তাই আমার হাতে পুরস্কার তুলে দিল।”
সূত্রের খবর, নোবেল পুরস্কারের পদক নিজের কাছেই রেখে দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কার জোটেনি।
