shono
Advertisement
SIR TMC Protest

'হিটলারি কায়দায় নাগরিকদের মুছে ফেলছে শাসক', SIR ইস্যুতে রাজ্যসভায় ঝাঁজাল আক্রমণ ঋতব্রতর

এসআইআর আবহে চাপ বাড়াতে রাজধানী দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন এসআইআর-এ ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের পরিবারের লোকজনেরা। এহেন পরিস্থিতিতে সংসদেও এসআইআর নিয়ে সুর চড়ালেন ঋতব্রত।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 08:32 PM Feb 03, 2026Updated: 08:32 PM Feb 03, 2026

হিটলার এবং মুসোলিনির কায়দায় ভারতীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করার চেষ্টা চলছে ভারতে। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় এসআইআর প্রসঙ্গে এভাবেই গর্জে উঠলেন তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ার জেরে অন্তত ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সেটার চেয়েও ভয়ংকর হল, জীবিত ভোটারদেরও মৃত হিসাবে দাগিয়ে দিয়ে তাদের মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে।

Advertisement

এসআইআর আবহে চাপ বাড়াতে রাজধানী দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন এসআইআর-এ ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের পরিবারের লোকজনেরা। সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে নির্বাচন সদনে প্রায় সোয়া একঘণ্টা বৈঠকও করেছেন তিনি। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের তোড়জোড়ও করছে তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার এসআইআর মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এহেন পরিস্থিতিতে সংসদেও এসআইআর নিয়ে সুর চড়ালেন ঋতব্রত। ভারতে দীর্ঘ গণতন্ত্রের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতেও ভারতে গণতন্ত্র ছিল। আজও বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছ ভারতে। কিন্তু বর্তমানে এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে বেছে নেওয়া হচ্ছে কার ভোটাধিকার রয়েছে। তৃণমূল সাংসদের কথায়, "১৯৩০র দশকে ইটালি এবং জার্মানিতে যেভাবে স্বৈরাচারী শাসন চলছিল, সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে বর্তমানের শাসকরা। ভারতরত্ন, নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকেও ছাড়া হয়নি, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির দোহাই দিয়ে তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।" 

"১৯৩০র দশকে ইটালি এবং জার্মানিতে যেভাবে স্বৈরাচারী শাসন চলছিল, সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে বর্তমানের শাসকরা।"

এসআইআরের তুমুল সমালোচনা করে ঋতব্রত আরও বলেন, "এই প্রকল্প দানবের মতো মানুষের জীবন, জীবিকা, বেঁচে থাকার অধিকার সমস্ত কিছুই গ্রাস করছে। দেড়শো জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এসআইআর আতঙ্কে। তার চেয়েও ভয়ানক ব্যাপার হল, জীবিতদেরও মৃত বলে ঘোষণা করে দেওয়া হচ্ছে। দেশের জীবন্ত নাগরিকদের মুছে ফেলা হচ্ছে। তাঁরা যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে এসেছেন, তখনও দিল্লি পুলিশ তাঁদের উপর নির্যাতন চালিয়েছে।" এই বক্তব্যের সঙ্গেই বাংলার বিপুল বকেয়া, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতঙ্গিনী হাজরার অপমান নিয়েও সরব হয়েছেন ঋতব্রত। মুখ খুলেছেন বন্দে ভারতের নিরামিষ খাবার বিতর্কেও।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement