রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার করা হয়েছিল ব্যবসায়ীকে। বারবার মাথায় আঘাত করা হয়েছিল হেলমেট দিয়ে। সেই ঘটনার দিন পনেরো পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হল দিল্লির সেই ব্যবসায়ীর। তাঁকে খুনের অভিযোগ উঠেছে খাবার ডেলিভারি সংস্থার তিন কর্মীর বিরুদ্ধে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ৩ জানুয়ারি দিল্লির কনট প্লেসে ঘটনা ঘটে। পার্টি থেকে ফেরার পথে খাবার ডেলিভারি কর্মীদের বিরুদ্ধে বচসার জড়িয়ে পড়েছিলেন বছর ছত্রিশের ওই ব্যবসায়ী শিবম গুপ্ত। বচসার কারণ অবশ্য এখনও জানা যায়নি। অভিযোগ, সেই সময় শিবমকে হেলমেট দিয়ে মারধর করেছিলেন ডেলিভারি কর্মীরা। তার পর তাঁকে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখেই তাঁরা পালান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন শিবমের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিতও করানো হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। গত ১৯ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু হয়। গ্রেপ্তারও হন দু'জন। তৃতীয় জনের খোঁজ চলছে। শিবমের রক্তমাখা জামাকাপড় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। নিহতের বাবা অনিলকান্ত গুপ্ত জানান, দিল্লির পাহাড়গঞ্জে তাঁদের দু'টি দোকান রয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অনিল। তিনি বলেন, "আমার ছেলেই আমাদের সব ছিল। আশা করছি বিচার পাব। দোষীদের এমন শাস্তি দেওয়া হোক, যাতে আর কারও ঘর এভাবে ভেঙে না যায়।"
