যাঁরা দেশের ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে সম্মান করেন না, যাঁরা বিশ্বাসঘাতক, তাঁদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য ভারত কোনও ধর্মশালা নয়। ‘লাভ জেহাদ’ নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
মঙ্গলবার লখনউতে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন যোগী। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “ভগবান রাম জাতীয় ঐক্যের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসাবে বিরাজমান।রাজনৈতিকভাবে চালিত হাতেগোনা কয়েকজন ব্যক্তি ছাড়া, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না, যাঁদের ডিএনএ-তে ভারতের রক্ত মিশে নেই। শুধু তা-ই নয়, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না যাঁরা ভগবান রামের আদর্শকে তাঁর জীবনের অংশ করে নেননি।” এরপরই তিনি বলেন, “বিশ্বাসঘাতকদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য ভারত কোনও ধর্মশালা নয়।”
‘লাভ জেহাদ’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে যোগী বলেন, "ভারতের জনবিন্যাস পরিবর্তনের প্রচেষ্টার সঙ্গেই লাভ জেহাদের যোগসূত্র রয়েছে। ২০০৯ এবং ২০১১ সালে হাই কোর্ট এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। এটি ভারতের জনবিন্যাস পরিবর্তনের একটি ষড়যন্ত্র। ২০২০ সালে আমাদের সরকার বেআইনি ধর্মান্তর রোধে আইন প্রণয়ন করেছে। তবে এ বিষয়ে আরও সচেতনতা প্রয়োজন। নেতিবাচক শক্তির বিরুদ্ধে সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"
অন্যদিকে, ভগবান রামকে ‘জাতীয় ঐক্যের প্রতীক’ বলেও অভিহিত করেছেন যোগী। তাঁর মতে, রাম জন্মভূমি আন্দোলন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে ছিল কারণ সাধু-সন্তরা এটিকে ভারতের সভ্যতাগত ঐতিহ্য রক্ষার একটি ব্রত হিসাবে দেখেছিলেন। ২০১৯ সালের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে যোগী বলেন, “সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে রাম লালার জন্মস্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, এই আইনি লড়াইয়ে স্বামী রামভদ্রাচার্যের ভূমিকার প্রশংসা করেছিল।”
