বছর শুরু হতে না হতেই বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ঝাঁপিয়ে পড়েছে শাসক, বিরোধী শিবির। প্রায় প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক দলের জনসভা, জনসংযোগ কর্মসূচি চলছে। এবার তৃণমূলের হাত থেকে বাংলার ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সক্রিয়তা বাড়িয়েছে গেরুয়া ব্রিগেডও। দিল্লি থেকে শীর্ষ নেতাদের 'ডেলি প্যাসেঞ্জারি' শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। বছরের শুরুতেই রাজ্যে এসে জোড়া জনসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নতুন দায়িত্ব পেয়ে আগামী সপ্তাহে বাংলায় আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন। তারপরই দলের বিশেষ কাজে বঙ্গ সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ফেব্রুয়ারিতে তাঁর আসার কথা থাকলেও সেই সফর এগোচ্ছে বলে খবর। জানুয়ারির শেষেই তিনি আসছেন।
আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু। ওই সময়ে পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে রাজনৈতিক প্রচার কর্মসূচিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রশাসন। মাইক বাজানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকে। সেসময় জনসভা করলেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে করতে হয়। এসব বিষয়কে বিবেচনা করে মাধ্যমিক শুরুর সময়টায় বঙ্গ সফর চাইছেন না অমিত শাহ। তাই তাঁর নির্ধারিত সূচি এগিয়ে আনা হচ্ছে।
রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ৩০ তারিখ রাতে কলকাতায় আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরদিন, ৩১ জানুয়ারি তিনি চলে যাবেন উত্তরবঙ্গ। শিলিগুড়িতে বিজেপির যুব সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা শাহের। এছাড়া আরও বেশ কিছু কর্মসূচি রয়েছে। তা এখনও চূড়ান্ত নয়। এবারও কর্মীদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ভোটের রণকৌশল স্থির করবেন নাকি কোনও জনসভার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার সারবেন, সেদিকে নজর রাজ্য বিজেপির নেতা-কর্মীদের।
রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ৩০ তারিখ রাতে কলকাতায় আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরদিন, ৩১ জানুয়ারি তিনি চলে যাবেন উত্তরবঙ্গ। শিলিগুড়িতে বিজেপির যুব সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা শাহের। এছাড়া আরও বেশ কিছু কর্মসূচি রয়েছে।
উল্লেখ্য, দিন দুই আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসেছেন তরুণ নেতা নীতীন নবীন। আর এহেন গুরুদায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বৈঠকেই বাংলায় নজর দেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। ছাব্বিশের ভোটের আগে নিজেই তিনি মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন নীতীন নবীন। দলীয় সূত্রের খবর, এই সফরে একাধিক সাংগঠনিক বৈঠকের পাশাপাশি বর্ধমানে একটি জনসভাও করবেন তিনি। আর ঠিক তারপরই রাজ্যে অমিত শাহের আগমন। সবমিলিয়ে আগামী সপ্তাহ থেকেই দিল্লি থেকে বিজেপির শীর্ষ নেতাদের যাতায়াত শুরু হয়েই গেল।
