বঙ্গ বিধানসভা ভোটের (Bengal Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আগামী মাস অর্থাৎ এপ্রিলেই বাংলায় দু'দফায় নির্বাচন হবে। এর মধ্যেই বাংলায় ফের তল্লাশি অভিযানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Raid in West Bengal) অর্থাৎ ইডি। অবৈধ কলসেন্টার এবং আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত একটি মামলায় আজ সোমবার কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এমনকী উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জায়গাতেও এই মামলাতেই এদিন সকাল থেকে তল্লাশি অভিযান চলছে বলে খবর। তবে ভোট ঘোষণার পরের দিনই এহেন অভিযান ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
জানা যাচ্ছে, সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার ঘেরাটোপে কলকাতার বোড়ালে ইডির একটি দল হানা দেয়। পাশাপাশি হাওড়া, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি-সহ মোট ১০ টি জায়গাতে একযোগে ইডি আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, বেশ কিছু নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই অবৈধ কলসেন্টার এবং আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলাতেই এদিন সকাল থেকে বিশেষ এই অভিযানে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে ইডির তরফে কিছু জানানো হয়নি। এমনকী তল্লাশিতে এখনও পর্যন্ত কিছু উদ্ধার হয়েছে কিনা তাও স্পষ্ট নয়।
সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার ঘেরাটোপে কলকাতার বোড়ালে ইডির একটি দল হানা দেয়। পাশাপাশি হাওড়া, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি-সহ মোট ১০ টি জায়গাতে একযোগে ইডি আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে খবর।
তবে এই মামলায় এর আগেও একাধিকবার কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, এই মামলায় এর আগে বেনিয়াপুকুরের এক বহুতলে তল্লাশি চালায় ইডি। এমনকী কৈখালিতেও তল্লাশি চলে। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই দুই জায়গাতে ভুয়ো কল সেন্টারের সন্ধানে এই তল্লাশি চলে বলে খবর। কিন্তু কীভাবে এই প্রতারণা চক্র চলত? ইডি সূত্রে খবর, সফটওয়্যার পরিষেবার নামে বিদেশি নাগরিকদের টার্গেট করা হতো। এরপর কৌশলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ গোপন তথ্য হাতিয়ে নিত প্রতারকরা। এই সংক্রান্ত বেশ কিছু অভিযোগ আসতেই নড়েচড়ে বসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
