সময় সামান্য। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে শত্রুর উপর। তাই ২৪ ঘণ্টা ইউনিফর্ম পড়ে, হাতে স্বয়ংক্রিয় তৈরি থাকে সেনার 'ভৈরব ব্যাটেলিয়ন'। সাধারণতন্ত্র দিবসে এই 'ভৈরব ব্যাটেলিয়ন'কেই দেখা যাবে রেড রোডের প্যারেডে। আগ্নেয়াস্ত্র হাতে
তাদের মুখের অংশে রং। পরনে ক্যামোফ্লেজ ইউনিফর্ম, মাথায় টুপি, হাতে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল। সকালে কুচকাওয়াজের সময় রেড রোড দিয়ে অল্প গতিতে দৌড়বে এই বাহিনী।
সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন এই বাহিনীটি অস্ত্রধারী সেনা ও সেনাদের বিশেষ বাহিনীর মধ্যবর্তী সেতু। তাই 'ভৈরব ব্যাটেলিয়ন ' কে অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া যুদ্ধের স্ট্র্যাটেজিকে মাথায় রেখেই এই বিশেষ বাহিনীকে সুসজ্জিত করে তুলেছে সেনাবাহিনী। সেই কারণে শুধু আধুনিক অস্ত্র শিক্ষাই নয়। 'ভৈরব ব্যাটেলিয়ান'-এর সদস্যরা ড্রোনের ব্যবহার থেকে শুরু করে সাইবার অপারেশনেও দক্ষ। ছোট ড্রোন দিয়ে কীভাবে টার্গেটকে 'হিট' করতে হয়, সেই ব্যাপারে এই বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আবার ছোট টিম তৈরি করে যে কোনও অপারেশন বা মিশনে সিদ্ধহস্ত এই আধুনিক বাহিনী। শক্রদেশের হামলার কথা ভেবেই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে 'ভৈরব'দের। তাদের তৈরি রাখা হয়েছে 'ফাইট টুনাইট'-এর জন্য।
নতুন এই বাহিনীটি অস্ত্রধারী সেনা ও সেনাদের বিশেষ বাহিনীর মধ্যবর্তী সেতু। তাই 'ভৈরব ব্যাটেলিয়ন' কে অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া যুদ্ধের স্ট্র্যাটেজিকে মাথায় রেখেই এই বিশেষ বাহিনীকে সুসজ্জিত করে তুলেছে সেনাবাহিনী।
যে কোনও অবস্থায় তাদের তৈরি থাকতে হয়। কোনও নির্দেশ পেলেই শত্রুদের প্রথম ধাক্কা যাতে দেওয়া যায়, সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে এই বাহিনীকে। সূত্রের খবর, জম্মু ও কাশ্মীর, রাজস্থান এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের লাইন অফ কন্ট্রোল ও লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে 'ভৈরব ব্যাটেলিয়ন 'কে মোতায়েন করা হয়েছে। অতি অল্প সময়ের মধ্যে শত্রুদেশ থেকে হামলার খবর পেলে তাদের রোখার ক্ষমতা রাখে ভৈরব'। সোমবার রেড রোডে দেখা যাবে ষষ্ঠ 'ভৈরব ব্যাটেলিয়ন'-এর সদস্য। এদিকে, এদিন রেড রোডের কুচকাওয়াজে অংশ নিচ্ছে সেনাবাহিনীর উভচর যানও। মোটা চাকার এই উভচর যানটি যেন জল অথবা জলাভূমিতে চলাচল করতে পারে, তেমনই পাথুরে রাস্তায়ও সহজে চলতে সক্ষম। ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনী দেশের একাধিক জায়গায় বন্যার সময় উদ্ধারকাজের জন্য এই যানকে কাজে লাগিয়েছে। আবার যুদ্ধক্ষেত্রেও সমান পারদর্শিতার সঙ্গে কাজ করতে পারে এই উভচর যান। আবার বিভিন্ন ধরনের কামান ও মিসাইলও প্রদর্শিত হবে রেড রোডের কুচকাওয়াজে। অতি অল্প সময়ে যেভাবে বঝাঁকে ঝাঁকে গুলি ছুটে গিয়ে শত্রুপক্ষের বিমানও ধ্বংস করে ফেলতে পারে, তা জানতে পারবেন দর্শকরা। সেনাদের সঙ্গে সঙ্গে নৌসেনা ও বায়ুসেনাদের ব্যান্ডও অংশ নেবে প্যারেডে। এ ছাড়াও কলকাতা পুলিশের সার্জেন্টদের বাইকও কুচকাওয়াজের সময় আসবে রেড রোড ধরে।
