চিংড়িহাটা মেট্রো নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান। কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের পরই কাজে এল গতি। চিংড়িহাটার যান নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত উল্টোডাঙা ট্রাফিক গার্ড।
গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কলকাতায় এসে তিনটি রুটে মেট্রো উদ্বোধন করেন। মেট্রোপথ সম্প্রসারণের নানা পরিকল্পনাও রয়েছে। বর্তমানে নিউ গড়িয়া থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যায়। তবে বিমানবন্দর পর্যন্ত পরিষেবা নেই। আইনি জটিলতায় আটকে নিউ গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রোর মাত্র ৩৬৬ মিটারের কাজ। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কাজ শুরুর কথা ছিল। নভেম্বরের শেষেও শুরু করা যায়নি কাজ। কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করে রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড বা আরভিএনএল। সেই অনুযায়ী মেট্রো, রাজ্য-সহ সবপক্ষকে বৈঠকে বসার কথা বলা হয়। নভেম্বরেই কাজ শুরুর কথা ছিল। তবে মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, রাজ্যের অসহযোগিতায় কাজ শুরু সম্ভব হয়নি। মেট্রোর কাজ শুরুর জন্য তাই আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি জানায় আরভিএনএল। কলকাতা হাই কোর্টের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। জট খুলতে রাজ্য সরকারকে আলোচনায় বসার পরামর্শ দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। সেই অনুযায়ী বৈঠকও হয়। আর এবার যান নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।
- উত্তরমুখী অর্থাৎ সায়েন্স সিটির দিক থেকে উল্টোডাঙামুখী গাড়িগুলি ক্যাপ্টেন ভেড়ির লাগোয়া অংশ দিয়ে নতুন রাস্তা হয়ে যাতায়াত করছে।
- আবার ক্যাপ্টেন ভেড়ির দিক থেকে প্রায় ৪৫০ মিটার রাস্তা ঘুরিয়ে চিংড়িহাটা উড়ালপুল পার করে বাঁদিক দিয়ে গাড়ি বের করা হচ্ছে।
- চিংড়িহাটা উড়ালপুলে ওঠার আগে রাস্তাটিকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- বাইক, ট্যাক্সি, ছোট গাড়ি ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস দিয়ে যাচ্ছে।
কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা বলেন, "এই বিষয়টি নিয়ে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আলোচনা চলছে।"
পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা বলেন, "এই বিষয়টি নিয়ে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আলোচনা চলছে।"
এই যানচলাচল বন্দোবস্তের জেরে চিংড়িহাটা উড়ালপুলের ওঠার মুখ ব্য়স্ত সময়েও ফাঁকা থাকবে। আবার রাতে যদি রাস্তা বন্ধ করে কাজ করা হয়, তবে তেমন সমস্যা হবে না। অবশেষে চিংড়িহাটা মেট্রোর (Chingrihata Metro) এই সংযুক্তিকরণের কাজ গতি পাওয়ায় খুশি যাতায়াতকারীরা।
