আইএসএফের সঙ্গে জোট হবে, তা নিয়ে আশাবাদী ছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। কিন্তু সেখানেও ধাক্কা খেলেন তিনি। হুমায়ুনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হল না। হুমায়ুনের সঙ্গে জোটে শামিল হবে না আইএসএফ, তা সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার হুমায়ুন জানান, "আইএসএফের (ISF) সঙ্গে আমার দীর্ঘদিন জোট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আইএসএফ জোটে শামিল হচ্ছে না। তবু আমি আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকিকে বিধানসভায় পাঠাতে চাই। তাঁকে ভাঙড়ে জেতাতে কিছু রণকৌশল নিয়েছি। এই মুহূর্তে তা বলছি না। বহরমপুরে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীও বিধানসভায় যাক আমি সেটা চাই। তাঁকে জেতাতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করব।" প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের (Bengal Election 2026) আগে শাসকদল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজের আলাদা রাজনৈতিক দল খুলেছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। ভোটে দাগ কাটতে হলে যে নিজের এককশক্তিতে তা সম্ভব নয়, তাও দ্রুতই বুঝে গিয়েছেন। আর তাই তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধীদের জোটে টানতে মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক।
হুমায়ুন জানান, "আইএসএফের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিন জোট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আইএসএফ জোটে শামিল হচ্ছে না। তবু আমি আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকিকে বিধানসভায় পাঠাতে চাই। তাঁকে ভাঙড়ে জেতাতে কিছু রণকৌশল নিয়েছি। এই মুহূর্তে তা বলছি না। বহরমপুরে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীও বিধানসভায় যাক আমি সেটা চাই। তাঁকে জেতাতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করব।"
এদিকে, রাজ্যের ২৯টি আসনে সিপিএম-আইএসএফ আসন সমঝোতা করে নির্বাচনে (Bengal Election 2026) ময়দানে শামিল হতে চলেছে বলে নওশাদ সিদ্দিকি জানিয়েছেন। মুর্শিদাবাদ, রঘুনাথগঞ্জ, হরিহরপাড়া ও ভগবানগোলায় প্রার্থী দিতে চলেছে আইএসএফ। ভগবানগোলায় সিপিএম আগাম প্রার্থী ঘোষণা করায় এই আসনে সিপিএম- আইএসএফের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদিও নওশাদ সিদ্দিকি এদিন সিপিএমের নেতৃত্বের কাছে আবেদন জানিয়েছেন ভগবানগোলা বিধানসভার সিপিএমের ঘোষিত প্রার্থীকে প্রত্যাহারের।
