বছর পাঁচেক আগেকার কথা। পেট্রল, ডিজেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে ই-স্কুটারে চড়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিদ্যুৎচালিত স্কুটিতে সওয়ার হয়ে তিনি গন্তব্যে গিয়েছিলেন। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের (West Bengal Assembly Election) মাঝে ফের দ্বিচক্রযানে চড়তে দেখা গেল তাঁকে। শনিবার বিকেলে দমদম উত্তরের দলীয় প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর সমর্থনে রোড শো করতে গিয়ে বেশ কিছুটা রাস্তা পেরলেন স্থানীয় দলীয় কর্মীর বাইক চড়ে। তাঁর এই ছবি দেখে আপ্লুত কর্মী, সমর্থকরা। সকলে বলছেন, মুখ্যমন্ত্রী যে জননেত্রী, তা ফের তিনি প্রমাণ করলেন। সহজেই দলীয় কর্মীর বাইকে সওয়ার হলেন।
দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে শেষবেলায় প্রচারের পারদ চড়ছে। তৃণমূলের তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা এখনও জেলায় জেলায় ঝটিকা সফর সারছেন। দুপুরে হুগলি তো বিকেলেই উত্তর ২৪ পরগনা, সন্ধ্যায় আবার কলকাতা। এভাবেই প্রচারে ছুটছেন তাঁরা। তার ফাঁকে দেখা গেল অন্য দৃশ্য। শনিবার দলীয় কর্মীর বাইকে চড়ে প্রচার সারলেন খোদ তৃণমূলনেত্রী। এদিন বিরাটির বণিক মোড় থেকে বিরাটি মোড় পর্যন্ত দমদম উত্তরে প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সমর্থনে রোড শো ছিল মমতার। গাড়ি করে তিনি বিরাটি মিনি বাসস্ট্যান্ডে নামেন। তারপর বেশ খানিকটা রাস্তা পদযাত্রা করেন। এরপর উঠে যান দলীয় কর্মীর বাইকে। সেখান থেকে বাকি রাস্তাটা বাইকে ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বাইকে সওয়ার হয়েই জনসংযোগ সারেন। তাঁকে এভাবে দেখে রাস্তার দু'পাশে জমায়েত হন লোকজন।
একুশে দেশজুড়ে পেট্রোপণ্যের চড়া দামের প্রতিবাদে অভিনব পন্থা গ্রহণ করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগের দিন রাতে ঘোষণা করেছিলেন, পরদিন তিনি বাড়ি থেকে নবান্ন অর্থাৎ মন্দিরতলায় রাজ্যের সচিবালয়ে পর্যন্ত গাড়ি নয়, বৈদ্যুতিক স্কুটারে চড়ে যাবেন। সেইমতো কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম তাঁকে নিজের স্কুটিতে বসিয়ে নিয়ে যান নবান্নে। সেই ছবি আবার ফিরল ছাব্বিশের ভোটপ্রচারে।শনিবার বিরাটিতে দলীয় কর্মীর বাইকে বসে কিছুটা রাস্তা গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।
