ভোটারদের নাম তালিকায় উঠলে তবেই রাজনৈতিক নেতারা গ্রামে প্রবেশ করতে পারবেন, নচেৎ নয়! প্রচার পর্বে মন্তেশ্বর ব্লকের লস্করপুরে পড়ল এমনই ব্যানার। শুধু তাই নয়, সোশাল মিডিয়া জুড়েও এই নিয়ে শুরু হয়েছে জোর প্রচার। তাঁদের অভিযোগ, প্রচুর বৈধ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তালিকা থেকে।
এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় বিচারাধীন ছিল ৬০ লক্ষের নাম। অতিরিক্ত তালিকায় বহু ভোটারের নাম উঠলেও বাদের সংখ্যাও প্রচুর। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভে ফুঁসছে তাঁরা। বাদ যাওয়াদের তালিকায় রয়েছে মন্তেশ্বরের জামনা পঞ্চায়েতের লস্করপুরের ১৭১ নম্বর বুথের ২০৪ জন। গ্রামবাসীদের সাফ কথা, এই বাদ যাওয়া ভোটারের নাম না উঠলে ওই গ্রামে প্রচার করতে যেতে পারবেন না কোনও প্রার্থীই। এই মর্মে টাঙানো হয়েছে ব্যানার। তাতে লেখা, "যতদিন না পর্যন্ত ভোটার লিস্টে নাম ও তথ্যের যথাযথ সংশোধন হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা বা কর্মীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।”
সোশাল মিডিয়ায় জামনার কুলে গ্রামবাসী ও কুসুমগ্রাম পঞ্চায়েতের সানাপাড়ার নামেও প্রচার চালানো হচ্ছে। মন্তেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা এলাকার তৃণমূল নেতা লালন শেখ বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেতৃত্ব প্রথম থেকেই এসআইআর নিয়ে সরব হয়েছেন। তৃণমূল সরকার সকলের পাশে রয়েছে। তাই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া ঠিক নয় বলেই মনে করি।” সিপিএম প্রার্থী অনুপম ঘোষ বলেন, “ভোটাধিকার অধিকার কোনওভাবেই কেড়ে নেওয়া ঠিক নয়। কিন্তু এই ব্যানার কারা ঝুলিয়েছেন তা দেখা দরকার।”
