সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব যে মানুষ তা নিয়ে তর্ক চলতেই পারে না। কিন্তু শারীরিক দক্ষতায় বহু প্রাণীর থেকেই যে সে অনেক পিছিয়ে সেটাও এক তর্কাতীত সত্য। তবুও মানুষই পারে সেই সত্যিকে চ্যালেঞ্জ করতে। যেমনটা করলেন জনপ্রিয় ইউটিউবার 'আইশোস্পিড'। যাঁকে অনেকে স্রেফ 'স্পিড' নামেই চেনেন। তিনি 'রেস' করলে চিতার সঙ্গে। ভাইরাল হয়ে গিয়েছে মানুষ ও চিতার দৌড়ের এই ভিডিও।
ইনস্টাগ্রামে নিজেই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন স্পিড। ক্যাপশনে লেখা 'আমি চিতার সঙ্গে রেস করেছি।' স্বাভাবিক ভাবেই এমন এক ভিডিও দেখে মানুষ চমকে গিয়েছেন। ভিডিওয় দেখা গিয়েছে দৌড়ের আগেই জনপ্রিয় ইউটিউবারকে আঁচড়ে দিচ্ছে চিতাটি! ক্যামেরায় সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান দগদগে রক্তাক্ত ক্ষতচিহ্ন! তবে এতেও তাঁর উৎসাহে ভাটা পড়েনি। শুরু হয় দৌড়। দৌড়ের ফলাফল নিয়ে অবশ্য কারও কোনও সংশয় ছিল না। অনায়াসেই সেই দৌড়ে জয়লাভ করে চতুষ্পদ প্রাণীটি। স্পিড প্রাণপণে দৌড়লেও চিতাটির তেমন কোনও ভাবভঙ্গিও ছিল না!
দৌড় দেখে এক নেটিজেনের মন্তব্য, 'উনি ওঁর সর্বশক্তিতে দৌড়েছেন। অথচ চিতাটি তার সর্বোচ্চ গতির ২৫ শতাংশের বেশিতে দৌড়ায়নি।' আরেকজনের প্রশ্ন, 'ওঁর কি সত্যিই চোট লেগেছে?' কেউ কেউ সরাসরি দাবি করেছেন, ওই ক্ষতচিহ্ন আসলে 'নকল'! কেউ কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, এমন প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে 'রেস' করার কী অর্থ! তবে এই জনপ্রিয় ইউটিউবারের যাঁরা অনুরাগী, তাঁরা জানিয়েছেন, মানুষ যা করার কথা ভাবতেও পারে না, সেটাই বরাবর করার চেষ্টা করেন স্পিড। এক্ষেত্রেও সেটাই করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, ড্যারেন জ্যাসন ওয়াটকিন্স জুনিয়র নামের বছর কুড়ির এই মার্কিন তরুণ 'আইশোস্পিড' নামে জনপ্রিয়। সারা পৃথিবী জুড়েই তাঁর খ্যাতি। পেয়েছেন বহু পুরস্কার। নতুন করে ভাইরাল ভিডিওয় তিনি মন জিতলেন নেটিজেনদের।
