একসময় তাঁর রোজগার ছিল মাসে ১৮ হাজার টাকা। আর আজ তিনি বছরে ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত রোজগার করছেন! এক যুবকের জীবনে এমনই পরিবর্তন মন জিতেছে নেটভুবনের। তাঁর জীবনের এই কাহিনিতে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়েছেন বলে জানাচ্ছেন।
'রেডিট'-এ একটি পোস্টে পেশায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ওই যুবক জানিয়েছেন, তিনি একটি আর্থিক সংস্থায় চাকরি করতেন। মাইনে ছিল ১৮ হাজার টাকা। কিন্তু তা সাড়ে চার বছরে সামান্য বেড়ে ২১ হাজার টাকা হয়েছিল। জীবনের এহেন পরিস্থিতিতে যখন বিপণ্ণ হয়ে পড়েছিলেন, তখনই আচমকা বদলে যায় সব। আর সেই কথাই তিনি জানিয়েছেন বিস্তারিত।
এই সাফল্যের কাহিনি পড়ে মুগ্ধ নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, 'অসাধারণ কাহিনি! অত্যন্ত উদ্দীপনাময়।' আরেকজন লিখেছেন, 'আমরা জানিও না, একেকটা পদক্ষেপ কী করে আমাদের জীবনকে বদলে দিতে পারে।'
ওই যুবক লিখেছেন, 'আমার চাকরি ছিল ডকুমেন্ট এগজিকিউটিভের। আসলে কাজটা ডেলিভারি বয়ের মতোই। মনে পড়ছে, পাঁচ বছর আগে একদিন বৃষ্টির মধ্যে ডকুমেন্টে ঠাসা ব্যাকপ্যাক নিয়ে আমি কাঁদছিলাম। কাঁদছিলাম, কেননা একটা রেনকোট কেনারও ক্ষমতা ছিল না। অথচ আজ আমি নিজের সংস্থা চালাই। কোটিতে কামাই।' তিনি জানিয়েছেন, এক সিএ-র সঙ্গে দেখা হওয়ার পরই তাঁর জীবন বদলে যায়।
এরপরই তিনি দিয়েছেন সাফল্যের বীজমন্ত্র, 'আজ আমি বুঝতে পেরেছি বাজার আপনার ডিগ্রি নিয়ে আগ্রহী নয়। বাজার কেবল জানতে চায় আপনি ঠিক কী কী করতে পারেন। আজ আমি কাগজ সংগ্রহ করে বেড়াই না। ফুলটাইম ফিনান্সিাল কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করি। প্রোজেক্ট ফান্ডিং, ইকুইটি ফান্ডিংয়ের মতো বিষয় সামলাই।'
এই সাফল্যের কাহিনি পড়ে মুগ্ধ নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, 'অসাধারণ কাহিনি! অত্যন্ত উদ্দীপনাময়।' আরেকজন লিখেছেন, 'আমরা জানিও না, একেকটা পদক্ষেপ কী করে আমাদের জীবনকে বদলে দিতে পারে।' আবার অনেকেই জানিয়েছেন, জীবনে এগিয়ে চলতে গেলে ভয় পেলে চলবে না। সাবধানী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কখনও সখনও ঝুঁকি নেওয়াও দরকার।
