Advertisement
বিশ্বভারতী-সোনাঝুরি হাট অনেক হল, এবার শান্তিনিকেতন গেলে অবশ্যই ঘুরে আসুন এই জায়গাগুলি
নতুন এই জায়গায় গেলে মন ভরতে বাধ্য।
বাঙালি মানেই ভ্রমণ পিপাসু। সপ্তাহান্তের ছুটিতেও চেষ্টা করে কোথাও একটা ঘুরে আসার। সে বাড়ির কাছের দিঘা হলেও ক্ষতি নেই। আসল উদ্দেশ্য স্বাদ বদল। ছোট্ট ছুটিতে অনেকেই চলে যান শান্তিনিকেতন। সেখানকার অন্যতম আকর্ষণ সোনাঝুরির হাট, বিশ্বভারতী, আদিবাসী গ্রাম-সহ অনেক কিছুই। শনিবার সকালে পৌঁছে যেতে পারলেই সোমে ফিরে অফিসে কোনও সমস্যাই হয় না।
কিন্তু শান্তিনিকেতন মানেই সকলের কাছে সোনাঝুরির হাট, বিশ্বভারতী। বরাবার ওই একই জায়গায় ঘুরপাক খান সকলে। চেনা জিনিসের স্বাদই বারবার নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু জানেন কি কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে এমন কিছু জায়গা আছে, যা আজও সকলের কাছে অজানা।
চলুন আজ চিনে নেওয়া যাক সেই অচেনা শান্তিনিকেতনকে। যাতে পরেরবার ট্রিপের প্ল্যান করলে সোনাঝুরির হাট, বিশ্বভারতীতেই ঘুরপাক খেতে না হয়। বরং অন্যরকম এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হতে পারেন।
শান্তিনিকেতনের অদূরেই রয়েছে একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ, রাইপুর রাজবাড়ি। যা একসময় সিনহা জমিদারদের বাসস্থান ছিল। ১২০ কক্ষের এই প্রাসাদটি এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বহু সিনেমা নির্মাতাকে এই ইতিহাস বিজড়িত গা ছমছম করা প্রাসাদ আকর্ষণ করে। কিন্তু আমজনতা এর হদিশ খুব একটা জানেন না। যদিও রাজবাড়িটির অনেক অংশে এখন প্রবেশ করা যায় না। তবে এর নিচের তলা এবং সংলগ্ন মন্দিরটি ঘুরে দেখতে পারেন সকলেই। তা আমজনতার জন্য খোলা।
ঘুরে আসুন আমখই উড ফসিল পার্ক। ২০০৬ সালে একটি পুকুর খননের সময় আবিষ্কৃত এই স্থানে কয়েকশো বছর পুরোনো কাঠের জীবাশ্ম রয়েছে। এটি এখন একটি সংরক্ষিত উদ্যান হিসেবে পরিচিত। যাবেন কীভাবে? ইলামবাজারের জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পৌঁছে যান এই পার্কে। মন ভালো হয়ে যেতে বাধ্য।
অবশ্যই যান সৃজনী শিল্পগ্রামে। বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত সৃজনী শিল্পগ্রাম একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। পূর্ব ভারতের ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও কারুশিল্প প্রদর্শন করা হয় এখানে। বিভিন্ন রাজ্যের প্রদর্শনী কুটির রয়েছে। এখানে গেলে দেখতে পাবেন পূর্ব ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামের শিল্প ও ঐতিহ্যের ঝলক। লোকসংগীত শিল্পীদের গান শিল্পগ্রামের পরিবেশে এক মাত্রা যোগ করে।
অবশ্যই ঘুরে আসুন বল্লভপুর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং হরিণ উদ্যানে। শান্তিনিকেতনের কেন্দ্রস্থল থেকে এটি প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে দর্শনার্থীরা হরিণ, পাখি এবং ময়ূর দেখতে পাবেন। যদিও এটি একটি ছোট এলাকা। তবে অল্প সময়ের জন্য গেলে এর শান্ত পরিবেশ আপনার মন ভালো করে দেবে। বিশেষ করে সঙ্গে যদি বাচ্চারা থাকে, তাহলে তারা ভীষণভাবে খুশি হবে।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 04:16 PM Apr 05, 2026Updated: 05:24 PM Apr 05, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
