Advertisement
ডিপ্রেশন থেকে হৃদরোগ, জন্মমাসেই লুকিয়ে শারীরিক সমস্যা! এখনই মিলিয়ে দেখুন
আপনার জন্ম কোন মাসে?
আপনার স্বভাব কেমন, তা কিছুটা নির্ভর করে কোন মাসে জন্ম তার উপর। কিন্তু বিষয়টার শেষ কিন্তু এখানেই নয়। জন্মমাসের উপর নির্ভর করে শারীরিক সমস্যাও। শুনে অবাক হলেন? কিন্তু একথা একশো শতাংশ সত্যি। জন্মমাসই বলে দিতে পারে কোন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক খুঁটিনাটি।
বলা হয় জানুয়ারি মাসে যাদের জন্ম তাঁদের ক্ষেত্রে সিজোফ্রেনিয়া সমস্যা দেখা দেয়। এটা এক ধরনের গুরুতর মানসিক রোগ। কিশোর-কিশোরী, নারী-পুরুষ সবাই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে ১৫-২৫ বয়সীদের মধ্যে এর প্রভাব বেশি দেখা যায়। রোগীরা বুঝতে পারে না কী সমস্যা, কেন ওষুধ খাচ্ছে, কেন ডাক্তারের কাছে যাচ্ছে। ১৮৮৭ সালে জার্মান মনোবিদ এমিল ক্রেপলিন প্রথম এই রোগের সন্ধান পান।
ফেব্রুয়ারি মাসে যাদের জন্ম তাঁদের নিউরো সমস্যার সম্ভাবনা থাকে প্রবল। এদের খুব দ্রত মুড সুইং হয়। গবেষণা বলছে, আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এরা নানারকম রোগে ভোগে।
আপনার জন্ম মার্চ মাসে? তাহলে এখন থেকেই যত্ন নিন হার্টের। গবেষণা বলছে, মার্চে যাদের জন্ম তাঁদের হার্টের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনওরকম সতর্কবার্তা ছাড়াই এদের হার্টে বড়সড় সমস্যা দেখা দেয়। আচমকা হার্ট অ্যাটাক হয় এদের।
এপ্রিল মাসে যাদের জন্ম তাঁদের ক্ষেত্রে দেখা যায় কার্ডিওভাসকুলার রোগ। অর্থাৎ হৃদপিণ্ড ও রক্তনালীর সমস্যা দেখা দেয়। বুকে ব্যথার সমস্যা এদের লেগেই থাকে।
যাদের জন্ম মে মাসে তাঁদের মধ্যে স্কলেরোসিসের সমস্যা দেখা যায়। এতে শরীরের টিস্যু বা অঙ্গ শক্ত হয়ে যায়। মস্তিষ্কের ও মেরুদণ্ডের স্নায়ুর মাইলিন আবরণ নষ্ট হয়। ফলে ক্লান্তি, দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা, দুর্বলতা এবং ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়।
জুন মাসে যাদের জন্ম তাঁদের দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এদের দৃষ্টিশক্তি ক্ষীন হতে থাকে। দূরের জিনিস দেখায় সমস্যা হয়, মাথাব্যথার মতো সমস্যা লেগে থাকে। অধিকাংশক্ষেত্রেই এর কারণ, অতিরিক্ত স্ক্রিনটাইম।
জুলাই মাসে যাদের জন্ম তাঁদের ক্ষেত্রে দেখা যায় কার্ডিওভাসকুলার রোগ। অর্থাৎ হৃদপিণ্ড ও রক্তনালীর সমস্যা দেখা দেয়। বুকে ব্যথার সমস্যা এদের লেগেই থাকে। উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ধুমপান, অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এর মূল কারণ।
আগষ্ট মাসে যাদের জন্ম তাঁদের ইমিউন হাইপারসেনসিটিভিটি দেখা যায়। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ক্ষতিকারক নয় এমন পদার্থের (অ্যালার্জেন) বিরুদ্ধেও তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ত্বক লাল হয়ে যায়, চুলকানি, শ্বাসকষ্ট, হাঁচি, ফোলাভাব, পেট খারাপের মতো সমস্যা দেখা দেয়।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 07:26 PM Apr 04, 2026Updated: 07:26 PM Apr 04, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
