Advertisement
ফিক্সড ডিপোজিটে কাটা হচ্ছে টিডিএস! জানুন কর বাঁচানোর নয়া উপায়
২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে চালু হচ্ছে এই ফর্ম। এই ফর্ম এক সিঙ্গল, প্যান-নির্ভর, বয়স-নিরপেক্ষ বার্ষিক ফাইল।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে স্থিতিশীল রিটার্নই লক্ষ্য থাকে সাধারণ মধ্যবিত্তের। শেয়ারবাজার বা অন্যান্য অনিশ্চিত ক্ষেত্রের চেয়ে তাই ফিক্সড ডিপোজিট এক বিশ্বস্ত বিকল্প। তবে ফিক্সড ডিপোজিট তথা স্থায়ী আমানতের সুদ কিন্তু করযোগ্য। আর তাই সুদ একটি নির্দিষ্ট গণ্ডি পেরোলেই ব্যাঙ্ক টিডিএস কেটে নেয়।
এতদিন পর্যন্ত একটি আর্থিক বর্ষে একবার করে ১৫জি বা ১৫এইচ ফর্ম ভরতে হত গ্রাহকদের। এবার সেই ফর্মগুলির সঙ্গেই আনা হচ্ছে নতুন ফর্ম ১২১-কে। স্বাভাবিক ভাবেই ওয়াকিবহাল মহলে চর্চায় রয়েছে এই নয়া ফর্ম।
২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে ১৫জি ও ১৫এইচ ফর্মের সঙ্গেই আনা হচ্ছে ফর্ম ১২১-কে। এফডি-র সুদে টিডিএস বাদ দেওয়ার নিয়মকে সরল করতেই এই পরিবর্তন। এই ফর্ম এক সিঙ্গল, প্যান-নির্ভর, বয়স-নিরপেক্ষ বার্ষিক ফাইল। জেনে নেওয়া যাক বিশদে।
বলে রাখা ভালো যাঁদের বার্ষিক আয় করযোগ্য সীমার নিচে, এফডি-র সুদের উপর তাঁদের কোনও কর দিতে হবে না। এবং ১৫জি ও ১৫এইচ ফর্মের বদলে এবার থেকে শুধুমাত্র একটা ফর্ম জমা করলেই হবে। অনলাইনে কিংবা ব্যাঙ্কে গিয়ে ১২১ নম্বর ফর্ম জমা দেওয়া যাবে।
কত টাকা সুদ পেলে টিডিএস কাটা হবে? জানা গিয়েছে, যাঁদের স্থায়ী আমানত থেকে প্রাপ্ত সুদ বাবদ বার্ষিক আয় ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে বা বার্ষিক রোজগার করের সীমার নিচে থাকে তাহলে টিডিএস দিতে হবে না।
ফর্ম ১২১ জমা দিলে কি টিডিএস কাটা হবে না? বলা হচ্ছে, তা নয়। সেক্ষেত্রে টিডিএসের পরিমাণ কমবে। তবে সেই হ্রাসের পরিমাণ করদাতার চূড়ান্ত দেয় করের হিসেবের উপরে নির্ভরশীল। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠতেই পারে, তাহলে ১৫জি ও ১৫এইচ কি তাহলে আর ব্যবহৃত হবে না। জানা যাচ্ছে, এই দু'টি ফর্ম এরপরও ব্যবহৃত হবে। করসীমার নিচে মোট আয় যাঁদের, তাঁদের এই ফর্ম ভরতে হবে।
পুরো বিষয়টি সহজ করে বুঝলে যাঁদের ক্ষেত্রে স্থায়ী আমানত থেকে প্রাপ্ত সুদ বাবদ বার্ষিক আয় বা মোট রোজগার করযোগ্য তাঁরা টিডিএসের অঙ্ক কমাতে ১২১ নম্বর ফর্ম ভরবেন। অন্যদিকে ষাটের নিচে বয়স যাঁদের, তাঁদের যদি মোট রোজগার বা ফিক্সড ডিপোজিটের সুদের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে থাকে তাঁরা ভরবেন ১৫জি ফর্ম। একই ক্ষেত্রে ষাটের বেশি বয়সিদের ভরতে হবে ১৫এইচ।
১২১ নম্বর ফর্ম ভরার ক্ষেত্রে কিন্তু প্যান কার্ড থাকা আবশ্যক। আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যদি কোনও প্যান যুক্ত থাকে তবেই ওই ফর্মটি জমা করতে পারবেন। অন্যথায় ব্যাঙ্ক ২০ শতাংশ বা তার হারে টিডিএস কেটে নেবে।
ফিক্সড ডিপোজিট এমন এক নিরাপদ সঞ্চয়ের উপায়, যেখানে নিশ্চিত রিটার্ন। যেকারণে বহু মানুষ অন্য কোনও খাতে টাকা না বিনিয়োগ করে স্থায়ী আমানতে ভরসা করেন। বলে রাখা ভালো, এর মেয়াদ ৭ দিন থেকে শুরু করে ১০ বছর পর্যন্ত।
এছাড়াও সুবিধা রয়েছে ফিক্সড ডিপোজিটের। সিনিয়র সিটিজেন হলে মেলে অতিরিক্ত ০.৫ থেকে ০.৬ শতাংশ বেশি সুদ। এছাড়া ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থ বিমার আওতায় সুরক্ষিত থাকে। মেয়াদের আগে টাকা তুলতে চাইলে খুব বেশি হলে ১ শতাংশ জরিমানা কাটতে পারে ব্যাঙ্কগুলি। এই সব কারণেই ফিক্সড ডিপোজিটের এত জনপ্রিয়তা।
একসময় জিনাত আমনের 'দম মারো দম' ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ওই গানে ব্যবহৃত 'হরে কৃষ্ণ হরে রাম' শব্দের ব্যবহার নিয়ে আপত্তি ওঠে। তীব্র সমালোচনার শিকার হয় গান নির্মাতা। কাট টু ২০১১ সাল। দীপিকা পাড়ুকানের 'দম মারো দম' গানটিও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। এই গানটিও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দিয়েছে বলেই অভিযোগ ওঠে। আইনি জটিলতার মধ্যে পড়তে হয় নির্মাতাদের।
Published By: Biswadip DeyPosted: 09:00 PM Mar 18, 2026Updated: 09:13 PM Mar 18, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
