Advertisement
ছোট্ট টিপ, হালকা লিপস্টিক আর মঙ্গলসূত্র! চুপিসারে বিয়ে সারলেন! কঙ্গনা বললেন, 'অনেক ফোন পাচ্ছি...'
'কোনওদিন গোপনে....', বিয়ের জল্পনা ছড়াতেই কী প্রতিজ্ঞা 'ক্যুইন' কঙ্গনার?
পরনে সালোয়ার স্যুট, হাতে চুরি, কপালে টিপ, চোখে রোদচশমা আর গলায় মঙ্গলসূত্র। চুপিসারে বিয়ে সারলেন বলিউডের 'ক্যুইন' কঙ্গনা রানাউত? শুক্রের সকাল থেকে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিও। পাপারাজ্জিদের দেখেই তাড়াহুড়ো করে গাড়িতে উঠে যান কঙ্গনা! এরপরই গুঞ্জন আরও জোরাল হয়। মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় ভরে গিয়েছে নেটভুবন।
ভিডিওটি ভাইরাল হতেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া সোশাল মিডিয়ায়। কারও মতে, চুপিসারে বিয়ে সেরেছেন কঙ্গনা কেউ আবার বলছেন 'ক্যুইন ২'লুক ফাঁস। কঙ্গনার বৈবাহিকজীবনের মঙ্গল কামনা করে এক নেটিজেন লেখেন, 'যেই হোক সেই ভাগ্যবান মানুষটি, আশা করি কঙ্গনার দাম্পত্য জীবন সুখের হবে। ৪১ বছর বয়সে বিয়ে করাটা স্বাভাবিকই।' অপর এক নেটাগরিকের মন্তব্য, 'অবশেষে কঙ্গনা বিয়ে করলেন।'
বিয়ের জল্পনা ছড়াতেই মুখ খুললেন মাণ্ডির সাংসদ তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ইনস্টা স্টোরিতে ভাইরাল হওয়া ছবি পোস্ট করে কী বললেন? গোপনে বিয়ের সত্যতা স্বীকার করলেন নাকি জল্পনা উড়িয়ে দিলেন? দেখে নেওয়া যাক কী প্রতিক্রিয়া দিলেন পর্দার 'মনিকর্ণিকা'।
কোনওরকম বিরক্ত বা ক্ষোভপ্রকাশ না করে বরং হালকা মেজাজেই জবাব দিয়েছেন। কঙ্গনা জানিয়েছেন, 'প্রত্যেকদিন শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে সিনেমার শুটিং করি। কেউ হয়ত আমার মেকআপ লুকের ছবি তুলেছে। আর তারপর থেকেই একের পর এক ফোন পাচ্ছি।' মজা করে আরও যোগ করেছেন, 'বিবাহিত মহিলার লুকে দেখলে সেটা এমন কী বড় ব্যাপার?'
তবে গোপনে বিয়ের গুঞ্জন উঠতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন অভিনেত্রী। পোস্টের মাধ্যমেই প্রতিজ্ঞা করেছেন, তিনি কোনওদিন চুপিসারে বিয়ে করবেন না। সেই সঙ্গে দিয়েছেন আরও একটি বার্তা, শিল্পীরা বিভিন্নরকম চরিত্রে অভিনয় করে। তাই অযথা কাল্পনিক ভাবনাচিন্তা বৃথা। অভিনেত্রীর মন্তব্যে একটা বিষয় কিন্তু স্পষ্ট, শুটিংয়ের ফাঁকেই তাঁর লুক মুঠোফোনে বন্দি।
একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট মোতাবেক, সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি কঙ্গনার আসন্ন ছবি 'ক্যুইন ফরএভার'-এর। মনে করা হচ্ছে, এটি হয়তো কস্টিউম বা লুক টেস্টের অংশ ছিল। শোনা যাচ্ছে, বিকাশ ভ্যালের নির্দেশনায় ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে ছবির শুটিং শুরু করেছেন কঙ্গনা। যদিও নিজের পোস্টে কঙ্গনা কোন ছবির লুক সেই বিষয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি।
খানিকটা একই কথা বলেছেন শশীও। তাঁর মতে, ‘যুবসমাজ যে কতখানি হতাশ হয়ে পড়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা দেখেই বুঝতে পারছি। তাদের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়াটা বিপর্যয় বলা যেতে পারে। সিজেপির অ্যাকাউন্ট চলতে দেওয়া উচিত।’খানিকটা একই কথা বলেছেন শশীও। তাঁর মতে, ‘যুবসমাজ যে কতখানি হতাশ হয়ে পড়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা দেখেই বুঝতে পারছি। তাদের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়াটা বিপর্যয় বলা যেতে পারে। সিজেপির অ্যাকাউন্ট চলতে দেওয়া উচিত।’
একসময় আন্না হাজারের নেতৃত্বে 'ইন্ডিয়ান এগেনস্ট করাপশন' আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। সেই আন্দোলন থেকেই উত্থান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। এবং তাঁর দল আম আদমি পার্টির। ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র ভবিষ্যৎ কী? তারা ভোটে অংশ নেবে? যদিও এই মুহূর্তে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের দাবি, এখনই সেসব বলার সময় আসেনি। আগে সকলকে সংঘবদ্ধ করাই লক্ষ্য তাঁর।
Published By: Kasturi KunduPosted: 05:17 PM May 22, 2026Updated: 12:01 PM May 23, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
