Advertisement
আহত বাবার স্বপ্নপূরণে মঞ্চে 'খুদে হারকিউলিস', ৬ বছরের বডিবিল্ডারকে দেখে মুগ্ধ নেটপাড়া
অনেকেই তাকে ডাকতে শুরু করেছেন 'খুদে হারকিউলিস'।
অনেকেই তাকে ডাকতে শুরু করেছেন 'খুদে হারকিউলিস'। এই নামে তাকে সাধে ডাকা হচ্ছে না। এর নেপথ্য কারণ শুনলে চমকে যাবেন। ছ'বছর বয়সি বডিবিল্ডার রচিত পাঞ্চালের কথা বলা হচ্ছে।
রচিত মুম্বইয়ের জুনিয়র শ্রী বডিবিল্ডিং ইভেন্টে অংশ নিয়েছে। কিন্তু চমকটা এখানে নয়, অন্য জায়গায়। যা শুনলে সকলেই মুগ্ধ হবেন।
২০২৪ সালে একটি পথ দুর্ঘটনায় রচিতের বাবার বডিবিল্ডার হওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যায়। আহত বাবার স্বপ্ন পূরণ করতেই তাঁর পুত্রের এই মঞ্চে পদার্পণ।
৫৫ কেজি বিভাগে অংশ নিয়েছিল সে। রচিতের প্রতিদ্বন্দ্বীরা ছিলেন সকলেই প্রাপ্তবয়স্ক। সকলের বয়স ছিল ২৩ বছরের মধ্যে। যদিও 'হংস মাঝে বক যথা'র মতো উপস্থিতি ছিল না রচিতের। একেবারে পেশাদারদের মতোই মঞ্চে বিচরণ ছিল তার।
প্রবল আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দেহসৌষ্ঠব প্রদর্শন করতে দেখা যায় তাকে। এতটুকু জড়তা ছিল না। 'ছোট পকেট বড় ধামাকা'র নির্ভীক মনোভাব এবং শৃঙ্খলা ধরা পড়েছে তার প্রতিটি স্টেপে। যা দর্শকদের কেবল নয়, প্রবল আনন্দ দিয়েছে বিচারকদেরও।
ইভেন্টটি মুম্বইয়ের উত্তর শহরতলি মালাড এলাকার জয় ভবানী জিম এবং গ্রেটার বোম্বে বডিবিল্ডিং অ্যাসোসিয়েশন আয়োজন করেছিল। সেখানে ওয়াডালার সেন্ট জোসেফস হাই স্কুলের কেজির ছাত্র রচিত অংশ নেয়।
রচিতের বাবা উমেশ মধুসূদন পাঞ্চাল। পারেলের বাসিন্দা। বডিবিল্ডিংয়ে রুপোর পদকও জিতেছেন। আরও বড় মঞ্চে যাওয়ার স্বপ্ন ছিল তাঁর। ৯ মার্চ, ২০২৪। একটা দুর্ঘটনা সমস্ত কিছু ওলটপালট করে দেয়।
সেই বছর মুম্বই শ্রী বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার কথা ছিল উমেশের। এর দু'দিন আগে, আন্ধেরির অফিস থেকে মোটরসাইকেলে ভাসাই যাচ্ছিলেন একজনের সঙ্গে দেখা করতে। সেই সময় পথ দুর্ঘটনার শিকার হন।
উমেশের বাঁ-পায়ে আঘাত লাগে। দু'টি অস্ত্রোপচারও হয়। পুরোপুরি সুস্থ হতে ৮ মাস সময় লেগেছিল। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি।
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 07:21 PM Feb 25, 2026Updated: 07:32 PM Feb 25, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
