Advertisement
মেঘের দেশে বর্ষামঙ্গল, সবুজ পাহাড় আর ঝরনার রূপকথায় হারাতে কোথায় যাবেন?
আকাশ জুড়ে মেঘের ঘনঘটা। জানলা দিয়ে আসছে সোঁদা মাটির গন্ধ। এই মরশুমে চার দেওয়ালের বন্দিদশা কারই বা ভালো লাগে? বর্ষা মানেই ঘরে বসে খিচুড়ি-ইলিশ নয়। মেঘ-বৃষ্টির অঝোর ধারায় প্রকৃতি যখন স্নান সারে, তখন তার রূপ হয় দেখার মতো। যদি এই বর্ষায় একটু অন্যরকম রোমাঞ্চের স্বাদ পেতে চান, তবে ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। কোথায় যাবেন?
আকাশ জুড়ে মেঘের ঘনঘটা। জানলা দিয়ে আসছে সোঁদা মাটির গন্ধ। এই মরশুমে চার দেওয়ালের বন্দিদশা কারই বা ভালো লাগে? বর্ষা মানেই ঘরে বসে খিচুড়ি-ইলিশ নয়। মেঘ-বৃষ্টির অঝোর ধারায় প্রকৃতি যখন স্নান সারে, তখন তার রূপ হয় দেখার মতো। যদি এই বর্ষায় একটু অন্যরকম রোমাঞ্চের স্বাদ পেতে চান, তবে ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। কোথায় যাবেন? রইল ঠিকানা।
মেচুকা, অরুণাচল প্রদেশ: পাহাড়ের কোলে এক টুকরো স্বর্গ। বর্ষায় মেচুকার রূপ খোলে অন্যভাবে। চারদিকের উপত্যকা তখন গাঢ় সবুজে ঢেকে যায়। সিয়োমি নদীর জল উপচে পড়ে। মেঘ আর কুয়াশার লুকোচুরি চলে দিনভর। কাঠের তৈরি প্রাচীন তিব্বতি বাড়িগুলো দেখতে দারুণ লাগে। প্রকৃতির এই আদিম রূপ মন ভরিয়ে দেয়।
জুকো ভ্যালি, নাগাল্যান্ড: সবুজ কার্পেটে মোড়া এক উপত্যকা। নাগাল্যান্ড ও মণিপুরের সীমান্তে এর অবস্থান। বর্ষায় এই উপত্যকা লিলি ফুলে ভরে ওঠে। মরশুমের প্রথম বৃষ্টিতে চারপাশ এক মায়াবী রূপ নেয়। ট্রেকিংয়ের শৌখিন মানুষদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা। মেঘের ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার রোমাঞ্চ এখানে অনন্য।
হাফলং, অসম: অসমের একমাত্র পাহাড়ি শহর। বর্ষায় হাফলং হ্রদের জল আরও নীল দেখায়। চারপাশের পাহাড়গুলো মেঘের চাদরে মুখ ঢাকে। এখানকার সবুজ চা বাগানগুলো বৃষ্টির জলে ধুয়ে চকচক করে। অর্কিডের সুবাস আর পাহাড়ি ঝরনার শব্দে মন ভালো হয়ে যায়। শান্তিতে কয়েকটা দিন কাটানোর সেরা ঠিকানা এটি।
নংখনুম দ্বীপ, মেঘালয়: এ দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী দ্বীপ। মেঘালয়ের এই প্রান্তে পর্যটকদের ভিড় কম। বর্ষায় কিলশি নদীর জলরাশি দ্বীপে আছড়ে পড়ে। চারপাশের ঘাসজমি আর বালিয়াড়ি তখন জীবন্ত হয়ে ওঠে। ল্যাংশিয়ং ঝরনার গর্জন বহুদূর থেকে শোনা যায়।
আনিনি, অরুণাচল প্রদেশ: দিবাং উপত্যকার এক লুকানো রত্ন। মেঘের ওপরে যেন এক শান্ত গ্রাম। বর্ষায় এখানকার পাহাড়ি নদীগুলো রূপবতী হয়ে ওঠে। পাইন বনের মধ্য দিয়ে মেঘেদের হেঁটে চলা দেখতে ভারী সুন্দর লাগে। আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে এই জায়গা আজও এক্কেবারে খাঁটি। প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এ এক স্বর্গরাজ্য।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 08:08 PM Jun 22, 2026Updated: 08:30 PM Jun 22, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
