যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। ইতিমধ্যেই প্রত্যাঘাত করেছে ইরান (Iran)। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ইজরায়েলি এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে চলছে মুহুর্মুহু গোলাবর্ষণ। পরপর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে দুবাই। উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বুর্জ খলিফা নিয়েও।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার দুপুরের পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে। পাম জুমেইরাহ এলাকায় বিস্ফোরণের কথা নিশ্চিত করেছে সে দেশের প্রশাসন। শুধু তা-ই নয়, বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ইমারত বুর্জ খলিফার কাছেও একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে বলে সূত্রের খবর। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শনিবারই খালি করে দেওয়া হয়েছে বুর্জ খলিফা। এর মাঝেই বেশ কয়েকটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেগুলির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ড্রোন জাতীয় কোনও বস্তু বুর্জ খলিফার (Burj Khalifa) কাছে এগিয়ে আসছে। ইমারতের একদম গায়ের কাছে এসে আকাশেই সেটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার মধ্যরাতে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানে হামলায় মৃত্যু হয়েছে খামেনেইয়ের। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে খারাপ ব্যক্তি খামেনেই। তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ইরান এবং আমেরিকার জনগণ ন্যায়বিচার পেল।’ ট্রাম্পের এই দাবির পরই রবিবার ভোরে মুখ খোলে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম। তারা জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহিদ হয়েছেন। শনিবার তিনি তাঁর কার্যালয়ে কাজ করছিলেন। সেই সময়েই আমেরিকা-ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার। তিনি দেশের জনগণের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবর অনুযায়ী, তেহরানে খামেনেইর অফিস কার্যত ধুলিসাৎ। উপগ্রহ চিত্র এই ধ্বংসের প্রমাণ।
