আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলায় খামেনেইর শীর্ষ কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌরের মৃত্যুর খবর মিলেছিল আগেই। এবার জানা গেল ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদা। তিনটি ভিন্ন ভিন্ন সূত্র মারফত এই তথ্য উঠে এসেছে। যদিও শীর্ষ কমান্ডার এবং প্রতিরক্ষার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি তেহরান। এদিকে ইজরায়েল ও আমেরিকা মুহুর্মুহু হামলার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনেইকে নিয়ে রহস্য ঘনিভূত হচ্ছে। তিনি কি জীবিত?
সামরিক কর্তা থেকে খামেনেইয়ের সুনজরে এসে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন আমির নাসিরজাদা। এক সময়ে ইরানি সেনা বাহিনীর ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ ছিলেন তিনি। অন্যদিকে আয়াতুল্লা আলি খামেনেইয়ের ঘনিষ্টজন বলে পরিচিত ছিলেন ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড কপের (আইআরজিসি) কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌর। গত ২৬০ দিন ধরে তিনি কমান্ডার পদে ছিলেন। গত বছর তাঁকে মেজর জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত মাসে ইজরায়েল ও আমেরিকাকে মহম্মদ পাকপৌর বার্তা দেন, হুমকি দিয়ে কাজ হবে না। শত্রুকে প্রতিহত করতে ইরান তৈরি। ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সেই কমান্ডারের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে ইজরায়েলি সেনা।
উল্লেখ্য, এদিন সকালে তেহরানে খামেনেইর দপ্তরে হামলা চালায় ইজরায়েল। যার ফলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় ওই ভবনটির অনেকাংশ। একটি সূত্রে খবর, তখনই মৃত্যু হয়েছে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং শীর্ষ কমান্ডারের। প্রশ্ন উঠছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কি খামেনেইর মৃত্যু হয়েছে? যদিও ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ৮৬ বছরের খামেনেইকে আগেভাগেই তেহরান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এবং বর্তমানে তিনি শহর থেকে দূরে ইরানের কোন গোপন বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছেন।
