ইরানের প্রাক্তন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেই শেষকৃত্যে ট্রাম্পকে হত্যার স্লোগান উঠেছিল। খোদ সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেইও লিখিত বার্তায় 'প্রতিশোধ'-এর হুমকি দিয়েছিলেন। সেই ঘটনার পর এবার সোশাল মিডিয়ায় এমন এক ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে যা দেখে ঘুম ছুটেছে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের। ভিডিওতে দেখানো হয়েছে, মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে। তিনি যে সব জায়গায় ঘনঘন যাতায়াত করেন সেই জায়গাগুলি তুলে ধরে ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, 'কীভাবে মেলেনিয়া ট্রাম্পকে খুন করা যায়?'
ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম-এর তরফে এই ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এই সংবাদমাধ্যম দেশটির সামরিক বিভাগ 'ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কোর' (IRGC)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। ভিডিওতে স্পষ্ট যে ট্রাম্প পরিবারের গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রকাশিত ভিডিওতে ম্যানহাটনের মিডটাউনের বেশ কয়েকটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী তথা মার্কিন ফার্স্ট লেডি কেনাকাটা করতে যান। তাঁর সফরের আগে নিরাপত্তার স্বার্থে রাস্তার ধারের ডাস্টবিন সরিয়ে ফেলা-সহ যা যা পদক্ষেপ করা হয়, তার খুঁটিনাটি তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিওতে বলা হয়েছে, 'অপারেশন সফল করার জন্য এই জায়গা উপযুক্ত।'
ভিডিওতে দেখানো হয়েছে, মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে। তিনি যে সব জায়গায় ঘনঘন যাতায়াত করেন সেই জায়গাগুলি তুলে ধরে ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, 'কীভাবে মেলেনিয়া ট্রাম্পকে খুন করা যায়?'
এর পাশাপাশি ওই ভিডিওতে মেলানিয়া ট্রাম্পের তিনজন ব্যক্তিগত স্টাইলিস্টের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এদের মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ দিয়ে ফার্স্ট লেডির পোশাকে বিষ প্রয়োগের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। ভিডিওর একেবারে শেষ পর্যায়ে ট্রাম্পের ২০ বছরের পুত্র ব্যারন ট্রাম্পের উদ্দেশে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সুর চড়িয়ে বলা হয়েছে, 'এটা সবে শুরু, ব্যারন ট্রাম্প আমাদের জন্য অপেক্ষা করো।' ব্যারন ওয়াশিংটনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে তেহরানের প্যালেস্টাইন স্কোয়ারে বিশাল এক বিলবোর্ড টাঙানো হয়েছিল। যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প, মেলানিয়া ট্রাম্প, তাঁদের কন্যা ইভাঙ্কা ও টিফানি এবং পুত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, এরিক ট্রাম্প ও ব্যারন ট্রাম্পের ছবি সাঁটানো ছিল। সঙ্গে বিলবোর্ডে লেখা হয়, 'রক্তের বদলে রক্ত'। সেই ঘটনার পর এবার ইরানের নয়া ভিডিও সামনে আসতেই বাড়ছে উদ্বেগ।
