shono
Advertisement
Iran

তেহরানের দিকে এগোচ্ছে মার্কিন রণতরী! হামলা হলেই 'জবাব' দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

বাতাসে অনেকেই বারুদের গন্ধ পাচ্ছেন। আর এহেন পরিস্থিতিতে তারাও যে যে কোনও রকমের জবাব দিতে প্রস্তুত তা বুঝিয়ে দিচ্ছে শক্তিশালী ইরান।
Published By: Biswadip DeyPosted: 08:54 AM Jan 24, 2026Updated: 08:59 AM Jan 24, 2026

ক্রমেই যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে ইরানের আকাশে। মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধবিমান-সহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম নতুন করে বহাল করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, মার্কিন রণতরীর অগ্রসর হওয়ার বিষয়ে। আর এরপরই পালটা দিল তেহরান। ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা খামেনেই-এর অধীনস্থ এক সিনিয়র অফিসার জানিয়ে দিয়েছেন, যে কোনও ধরনের মার্কিন হামলাকে পুরোদস্তুর যুদ্ধ হিসেবেই দেখবেন তাঁরা। এবং সম্ভাব্য কঠোরতম পথেই জবাব দেবেন।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''এবার যে কোনও হামলাকেই, সেটা সীমিত, সীমাহীন, সার্জিক্যাল, কাইনেটিক... ওরা যে নামেই ডাকুক না কেন, আমরা আমাদের বিরুদ্ধে একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে গণ্য করব। এবং এর জবাব আমরা সম্ভাব্য কঠোরতম উপায়েই দেব।'' প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আমেরিকা তার সেন্ট্রাল কমান্ডকে (সেন্টকম) শক্তিশালী করছে। এই নেতৃত্বই মধ্যপ্রাচ্যের অভিযানগুলির তত্ত্বাবধান করে। তারই অংশ হিসেবে যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই এবং যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে ইরানের কাছাকাছি নিয়ে আসা হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে তার বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার করেছে আমেরিকা। ফলে বাতাসে অনেকেই বারুদের গন্ধ পাচ্ছেন। আর এহেন পরিস্থিতিতে তারাও যে যে কোনও রকমের জবাব দিতে প্রস্তুত তা বুঝিয়ে দিচ্ছে শক্তিশালী ইরান।

যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই এবং যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে ইরানের কাছাকাছি নিয়ে আসা হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে তার বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার করেছে আমেরিকা।

অথচ কয়েকদিন আগেই মনে করা হচ্ছিল, যুদ্ধের মেঘ কেটে গিয়েছে। সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামা আটশোর বেশি বিদ্রোহীর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেও তা রদ করেছিল তেহরান। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছিল এবার বোধহয় চূড়ান্ত পদক্ষেপের থেকে সরে আসবে আমেরিকা। এখানেই শেষ নয়। গত বুধবার সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বক্তব্য রাখার সময়ও তিনি বলেছিলেন, আশা করা হচ্ছে, মৃত্যুদণ্ড রদের সিদ্ধান্তটা স্থায়ী হতে চলেছে। ফলে সম্ভবত ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রয়োজন পড়বে না। কিন্তু এবার ফের ঘন হচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। মধ্যপ্রাচ্যে কি সত্যিই হামলা চালাবে আমেরিকা? যদি উত্তরটা 'হ্যাঁ' হয়, তাহলে যে বড়সড় সংঘাত বেঁধে যাবে তাতে নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement