সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে চলছে অস্থিরতা। একেরপর এক যুদ্ধের মাঝেই ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রেপ্তার করেছেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে। এই অবস্থায় বিশ্বের অন্যপ্রান্তে বেজে উঠল যুদ্ধে ডঙ্কা। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের চিন ভ্রমণের সময় সমুদ্রের দিকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুঁড়েছে উত্তর কোরিয়া।
বদলে যাচ্ছে বিশ্ব রাজনীতির চেনা ছক। এশিয়া মহাদেশে আমেরিকার অন্যতম বন্ধু দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছে চিনের সঙ্গে আলোচনা করতে। এই সফরে কোরিয়া উপদ্বীপে শান্তি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে রয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এদিকে, মাদুরোকে নিজের প্রাসাদ থেকে তুলে এনে রাষ্ট্রনেতাকে 'অপহরণ' করাকে প্রায় সরকারি সিলমোহর দিয়েছে আমেরিকা। এই অবস্থায় তাইওয়ান নিয়ে চোখ রাঙানো শুরু করেছে চিন। এই অবস্থায় কে কার বন্ধু, আর কে কার শত্রু তা ঘেঁটে যাচ্ছে প্রতিদিন। এই অবস্থায় দক্ষিনের প্রেসিডেন্টের চিনযাত্রায় শঙ্কিত কিম। গত দু'মাসে, এই প্রথমবার মিসাইল ছুঁড়েছে পিয়ংইয়ং।
জানা গিয়েছে, চিনের সঙ্গে আলোচনায় উত্তরের পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত বিষয়ে কথা হতে পারে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের। এই কথা জেনেই রবিবার সকালে দেশের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে কিমে জং উনের দেশ। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার রাজধানী অঞ্চল থেকে সকাল ৭.৫০ নাগাদ মিসাইল ছোঁড়া হয়েছে। প্রায় ৯০০ কিলোমিটার ভ্রমণ করে এই ক্ষেপণাস্ত্র।
তিনি আরও বলেন, উত্তর কোরিয়ার যেকোনও উস্কানির উত্তর দিতে তৈরি দক্ষিণ কোরিয়া। পাশাপাশি, আমেরিকা এবং জাপানের সঙ্গে উত্তর কোরিয়া সংক্রান্ত তথ্য ভাগ করে নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার একটি অস্ত্র কারখানা পরিদর্শনের সময় উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন কৌশলগত অস্ত্রের উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি করার নির্দেশ দিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে, কিম অস্ত্র তৈরির কারখানাগুলি পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি একটি পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন পরিদর্শন করেছেন তিনি। দ্য ওয়ার্কার্স পার্টির এই বছরের নবম পার্টি কংগ্রেসের আগে প্রধান নীতিগত লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করেছেন কিম।
