shono
Advertisement
Bangladesh

হিন্দু নির্যাতনের বাংলাদেশে ভোট-ময়দানে ৮০ সংখ্যালঘু প্রার্থী, সবচেয়ে বেশি বামে, মুছবে বিভাজন?

১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মোট ২২টি রাজনৈতিক দল। বিএনপি, জামাত, জাতীয় নাগরিক পার্টিতে ক'জন সংখ্যালঘু প্রার্থী লড়ছেন?
Published By: Kishore GhoshPosted: 11:04 AM Jan 29, 2026Updated: 08:17 AM Jan 31, 2026

বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৮০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে মধ্যে নির্দল প্রার্থী ১২ জন। মোট সংখ্যালঘু প্রার্থীদের মধ্যে ১০ জন মহিলা। সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (পিসিবি)।

Advertisement

১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মোট ২২টি রাজনৈতিক দল। তারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৬৮ জনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। নির্বাচনে অংশ নিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মোট ৮৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এখন ৮০ জন ভোটের লড়াইয়ে রয়েছেন।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৬ জনকে এবার প্রার্থী করেছে বিএনপি। তাঁদের মধ্যে দু'জন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। তাঁরা হলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩) ও ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরি (মাগুরা-২)। জামাত এই প্রথম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজনকে মনোনয়ন দিয়েছে। হিন্দু-অধ্যুষিত খুলনার দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-১ আসনে জামাতের হয়ে লড়ছেন কৃষ্ণ নন্দী। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজনকে প্রার্থী করেছে।

নির্বাচনে অংশ নিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মোট ৮৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।

রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৭ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছয়জনকে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। বাসদ মার্কসবাদী সংখ্যলঘু সম্প্রদায়ের সাত জনকে প্রার্থী করেছে। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সংখ্যলঘু সম্প্রদায়ের দু'জনকে মনোনয়ন দিয়েছে।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি নির্মল রোজারিও বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণপ্রক্রিয়ায় যেতে না পারবে এবং প্রভাব সৃষ্টি করতে না পারবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের অধিকার, উন্নয়ন ও অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচনে আরও বেশি করে সম্পৃক্ত হতে হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement