বাংলাদেশে (Bangladesh) নতুন সরকার গঠন হতেই ফিরছে আইনশৃঙ্খলা। জামিনে মুক্তি পেলেন ইউনুসের আমলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার হওয়া সাংবাদিক আনিস আলমগির। বৃহস্পতিবার ঢাকা হাই কোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ একটি মামলায় তাঁকে জামিনের নির্দেশ দেন। আইনজীবী আসলাম মিঞা সাংবাদিকের হয়ে সওয়াল করেছিলেন। সেই সওয়াল-জবাবের ভিত্তিতে আনিস আলমগিরের জামিন মঞ্জুর করে উচ্চ আদালত। স্বভাবতই খুশির হাওয়া বাংলাদেশের সাংবাদিক মহলে।
বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠন হতেই ফিরছে আইনশৃঙ্খলা। জামিনে মুক্তি পেলেন ইউনুসের আমলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার হওয়া সাংবাদিক আনিস আলমগির। বৃহস্পতিবার ঢাকা হাই কোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ একটি মামলায় তাঁকে জামিনের নির্দেশ দেন।
২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের জেরে বাংলাদেশের হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর আসলে পদ্মা দিয়ে গড়িয়ে গিয়েছে অনেক জল। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুসের শাসনামলে দেশে বহু অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে গিয়েছে। বেড়েছে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের মাত্রা। তা আন্তর্জাতিক মহলেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তেমনই একটি ঘটনা সাংবাদিক আনিস আলমগিরের গ্রেপ্তারি। গত ১৪ ডিসেম্বর তাঁকে ঢাকার অদূরে ধানমণ্ডির একটি জিম থেকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে তুলে নিয়ে যায় ঢাকার মহানগর থানার পুলিশ। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আনিস আলমগিরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই থেকে জেলে বন্দি তিনি।
গত ১৪ ডিসেম্বর তাঁকে ঢাকার অদূরে ধানমণ্ডির একটি জিম থেকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে তুলে নিয়ে যায় ঢাকার মহানগর থানার পুলিশ। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আনিস আলমগিরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই থেকে জেলে বন্দি তিনি।
এর আগে একাধিকবার ঢাকার মহানগর জজ দায়রা আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার ঢাকা হাই কোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ সওয়াল-জবাবের পর আনিস আলমগিরের জামিন মঞ্জুর করে। আপাতত তিনি জেল থেকে মুক্তি পেতে পারবেন। আনিস আলমগিরের জামিনে খুশি সাংবাদিকরা। বলা হচ্ছে, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর পদে বসতেই দেশের আইনশৃঙ্খলা ফেরাতে তৎপর হয়েছেন। তারই একটি ধাপ সাংবাদিকের জামিন।
