আমজনতাকে সরকারি কল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিষেবা পৌঁছে দিতে সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে 'জনকল্যাণ শিবির' কর্মসূচি। বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠন করার পর প্রথমবার এই কর্মসূচি হবে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে। চলবে তিনদিন। সোম, মঙ্গল ও বুধবার। সোমবার নন্দীগ্রামে এমনই একটি জনকলাণ শিবিরে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন শিবিরে থাকবেন মন্ত্রী ও বিধায়করা। প্রায় ৫৫ ধরনের পরিষেবা এখান থেকে নিতে পারবেন সাধারণ মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যে চালু হওয়া 'অন্নপূর্ণা যোজনা' এবং 'আয়ুষ্মান ভারত'-এর আবেদনপত্র পূরণ নিয়ে উৎসাহ যথেষ্টই। রাজ্য ও কেন্দ্রের একাধিক জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের ফর্মও জমা দেওয়া যাবে এই শিবিরগুলিতে।
তিন দিনের এই বিশেষ কর্মসূচিতে এক ছাতার তলায় মিলবে সরকারি সমস্ত সুযোগ-সুবিধা। রাজ্য ও কেন্দ্র, উভয় সরকারের চলমান প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করবেন আধিকারিকরা। অন্নপূর্ণা যোজনা, যুবশক্তি প্রকল্প, বিধবা ভাতা, পিএম কিষান যোজনা এবং বার্ধক্য ভাতার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর জন্য নতুন করে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। আধার, ভোটার কার্ড বা অন্যান্য নথিতে ভুল থাকলে তা ঠিক করার ব্যবস্থা থাকবে এই শিবিরে। কোনও সরকারি পরিষেবা পেতে সমস্যা হলে বা দীর্ঘদিন ধরে কোনও কাজ আটকে থাকলে, সরাসরি ক্যাম্পে এসে অভিযোগ জানানো যাবে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং প্রশাসনকে একেবারে সাধারণ মানুষের ঘরের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই তিন দিনের ‘মেগা ড্রাইভ’। তথ্যের অভাব বা প্রশাসনিক জটিলতায় যেন কোনও যোগ্য মানুষ সরকারি অনুদান থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য জেলা প্রশাসনগুলোকে কোমর বেঁধে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
