বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০০০ কোটির ব্যবসা করা ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ (Dhurandhar 2) নিঃসন্দেহে ছাব্বিশের প্রথমার্ধের ‘বক্স অফিসের বাপ’! ‘ধুরন্ধর’-এর প্রথম পর্বের ব্যাপক সাফল্যের পর ১৯ মার্চ মুক্তি পেয়েছে আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’ রণবীরের ধুঁয়াধর অ্যাকশন থেকে সারা অর্জুনের সঙ্গে রোম্যান্টিক রয়াসনে বুঁদ তেরো থেকে তিরাশি। দর্শকের উত্তেজনা উসকে গত ১৪ মে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। মিডিয়া রিপোর্ট মোতাবেক, পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহে যখন 'ধুরন্ধর' মুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল তখন পইরেটেড ভার্শন ছড়িয়ে পড়ে। যা পাক দর্শকের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি করে। নেটফ্লিক্স যে সেই উন্মাদনায় ঘৃতাহুতি দিয়েছে তা বললে অত্যুক্তি হবে না।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর মাভিয়া উমের ফারুকি তাঁর ভিডিওতে দাবি করেছেন, নেটফ্লিক্সের ট্রেন্ডিং তালিকায় পয়লাস্থান দখল করেছে। উল্লেখ্য, নেটফ্লিক্সে মুক্তির পরই বিপুল সংখ্যক দর্শক একসঙ্গে লগ ইনের চেষ্টা করে। মধ্যরাতের এই উন্মাদনায় পাকিস্তানে নাকি সাময়িকভাবে সার্ভারের সমস্যাও দেখা যায় বলে দাবি ওই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের। একটি ভিডিও শেয়ার করে দেখিয়েছেন, সিনেমা চালানোর সময় বারবার বাফারিং হচ্ছে। আর সেই সেই সমস্যা কোনওভাবেই ইন্টারনেটের জন্য নয় সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন।
ভিডিওতে ফারুকি জানান, নেটফ্লিক্সে 'ধুরন্ধর' মুক্তির দিন পাক দর্শক রাত বারোটা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে। তাঁর কথায়, একসঙ্গে সকলে সিনেমা চালু করতেই ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে যা এই ছবি ঘিরে পাক দর্শকের উন্মাদনারই দৃষ্টান্ত। পরে ইনস্টাগ্রামে আরও একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করেন, 'ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ' পাকিস্তানে নেটফ্লিক্সের পয়লা নম্বরে ট্রেন্ড করছে।
ভারতীয় ছবির 'ধুরন্ধর ২'-এর গুঁতোয় বেহাল দশা পাক সিনেমা 'মেরা লায়রি'। ছবিটি মুক্তির আগে প্রচারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। কিন্ত, মুক্তির পর বক্স অফিসে ধস। কয়েকটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮ মে পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি র প্রথমদিনে মাত্র ২২টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। অথচ ভারতীয় ছবি ধুরন্ধর ২ নিয়ে পাকমহলে একেবারে হইচই। নিজের গড়েই দেশীয় ছবি কদর না পাওয়ার কারণে সোশাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হয়েছে মেরা লাইরি'।
