সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আলো দেখার আগের দিনই অঙ্কুশ (Ankush)-ঐন্দ্রিলার 'নারী চরিত্র বেজায় জটিল'-এর দীর্ঘ পোস্টারে কোপ পড়েছিল! নবীনা সিনেমা হলের বাইরে রাখা ৩০ ফুটের কাটআউটে ভাঙচুর চালায় অজ্ঞাতপরিচয় ক'জন। যে ইস্যুতে বৃহস্পতিবার সোশাল মিডিয়ায় গর্জে উঠেছিলেন অভিনেতা-প্রযোজক। কিন্তু কে বা কারা এই ঘটনার নেপথ্যে? এমন কৌতূহলে যখন টলিপাড়ায় শোরগোল, তখন সিনেমার প্রিমিয়ারে এসে বোমা ফাটালেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা।
সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে ইতিমধ্যেই পুলিশের দ্বারস্থ অভিনেতা-প্রযোজক। চারুমার্কেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অঙ্কুশ। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁর মন্তব্য, "ছবিটি যদি রাজনৈতিকভাবে কোনও সমস্যা তৈরি করত, তাহলেও নয় এর একটা ব্যাখ্যা থাকে। কিন্তু আমাদের 'নারী চরিত্র বেজায় জটিল' সিনেমাটি আদ্যোপান্ত বিনোদনমূলক ছবি। সেই সিনেমার কাটআউট ভাঙার কী যুক্তি, আমি জানি না। যে বা যারা পরিশ্রম করল, তার গোটাটাই পণ্ড! এটুকুই বলতে পারি।" সেকথার রেশ ধরেই ঐন্দ্রিলার মন্তব্য, "ইন্ডাস্ট্রিতে যদি সবাই একে-অপরের সাহায্য না করে তাহলে কীভাবে চলবে? আমাদের যা ঘটেছে, তা সত্যিই খুব দুর্ভাগ্যজনক। তবে ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ জমা পড়েছে। সেখানেই তিন-চার জনকে বাঁশ হাতে একাজ করতে দেখা গিয়েছে।" কারা ওই ব্যক্তিরা? ঐন্দ্রিলা বলছেন, "ওদের প্রত্যেকের মুখেই মাস্ক ছিল। হয়তো চিনে ফেললে সমস্যায় পড়ে যেত তাই পূর্বপরিকল্পিতভাবে সমস্ত ব্যবস্থা করে এসেছিল।"
জানা যায়, দক্ষিণ কলকাতার নবীনা প্রেক্ষাগৃহের বাইরে ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’-এর ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি কাটআউট রাখা ছিল। সেই কাটআউটে ছিল অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার সিনেমার লুক। তবে শুক্রবার সিনেমা রিলিজের আগেই তাতে কোপ পড়ে! দেখা যায়, সেটি ভাঙাচোরা অবস্থায় রাস্তার ধারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। আর সেই ক্যামেরাবন্দি মুহূর্তই সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করে গর্জে উঠেছিলেন অঙ্কুশ। এই অবশ্য প্রথম নয়! এর আগেও টলিপাড়ায় সিনেমা মুক্তির প্রাক্কালে পোস্টার ছেঁড়ার ঘটনা ঘটেছে। দিন কয়েক আগেই ‘হুমকি সংস্কৃতি’র বিরুদ্ধে টলিপাড়ার প্রযোজক, পরিচালকরা একজোট হয়ে লালবাজারে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন। সপ্তাহ ঘুরতেই কিনা ফের এহেন কাণ্ডে তোলপাড় বাংলা সিনেদুনিয়া?
