shono
Advertisement
T20 World Cup

'ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, সমঝোতায় আসুন', বিশ্বকাপ বিতর্কে বোর্ড কর্তাদের কাতর আর্তি বাংলাদেশ অধিনায়কের

রাজায় রাজায় 'যুদ্ধ'। আর তাতে উলুখাগড়ার মতো প্রাণ যেতে বসেছে ক্রিকেটারদের!
Published By: Subhajit MandalPosted: 03:26 PM Jan 24, 2026Updated: 03:26 PM Jan 24, 2026

রাজায় রাজায় 'যুদ্ধ'। আর তাতে উলুখাগড়ার মতো প্রাণ যেতে বসেছে ক্রিকেটারদের! ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। সামনে কোনও খেলা নেই। ঘরোয়া ক্রিকেটও বন্ধ। স্পনসররা হাত তুলে নেওয়ার মুখে। মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে বিধ্বস্ত হওয়ার মুখে লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ, নাজমুল হোসেন শান্তরা। তাই আর রাখঢাক না করে প্রকাশ্যেই এই অচলাবস্থা মেটাতে সমঝোতার ডাক দিলেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক শান্ত। সরাসরি বোর্ড কর্তাদের বলে দিলেন, এই অনিশ্চয়তায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। দয়া করে সমঝোতা করে, এই অচলাবস্থা কাটানো হোক।

Advertisement

আসলে বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন বাইরের এবং ভিতরের, দুই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। একে তো বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা কার্যত শেষ। তার উপর দীর্ঘদিন অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েনে বন্ধ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মতো প্রথম সারির টুর্নামেন্টও বন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ ঘোর অনিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়কের উদ্বিগ্ন হওয়াটা স্বাভাবিক। তিনি বলছেন, "চিন্তা তো একটু হয়। অবশ্যই চিন্তা হয়। ভবিষ্যৎ তো আমরা কেউই জানি না। খেলোয়াড় হিসেবে চিন্তা একটু হচ্ছে। এখানে অস্বীকার করার কিছু নেই।"

বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক শান্ত। ফাইল ছবি।

শান্ত বলছেন, ক্রিকেটারদের কথা ভেবে এবার কোনও একটা মধ্যপন্থায় আসতে হবে বোর্ড কর্তাদের। অন্তত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মতো ঘরোয়া টুর্নামেন্ট। বা বিশ্বকাপে না যাওয়া হলে ওই ধরনের কোনও ঘরোয়া টুর্নামেন্টে অন্তত আয়োজক করুক বাংলাদেশ বোর্ড। না হলে ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে যাবে। বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক বলছেন, "আমার কাছে মনে হচ্ছে গত এক-দেড় বছরে যেভাবে আমাদের ক্রিকেটটা চলছে, বিশেষত বাইরে যে ধরনের পরিবেশ, তাতে আমাদের মাঠের খেলাটা প্রভাবিত হচ্ছে। যাঁরা দায়িত্বে আছেন ক্রিকেট বোর্ড বা বাইরের যারা আছেন সবাই মিলে একটু সমঝোতা করে ক্রিকেটটা যেন ঠিকভাবে চালু হয় এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।"

বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক বলছেন, "খেলোয়াড় হিসেবে অনুরোধ করব, এই মুহূর্তে যেভাবে খেলা চলছে, আমরা সবাই অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি কী হবে, না হবে। আমার মনে হয় সবাই নিজেদের জায়গা থেকে ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করবেন, যাতে ক্রিকেটটা সুন্দরভাবে মাঠে নিয়মিত হয় এটাই গুরুত্বপূর্ণ।’ শান্তর এই বয়ানের পর একপ্রকার নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, বাংলাদেশ সরকার ও বোর্ড যেভাবে বিশ্বকাপ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটা পুরোপুরিই ক্রিকেটারদের ইচ্ছার বিপক্ষে গিয়ে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement