shono
Advertisement
Professor Shanku

শঙ্কুর ‘বিধুশেখর’ কি এখনকার ‘এআই চ্যাটবট’? সত্যজিতের কল্পনা ছিল সুদূরপ্রসারী

যা, সত্যজিৎ রায় (১৯২১-১৯৯২) কল্পনা করেছিলেন, এত বছর পরে ‘এআই’ কিন্তু ঠিক তাই করে দেখাচ্ছে! প্রযুক্তি যেখানে এখনও পৌঁছয়নি, সেখানে তিনি কল্পনায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। একটা সময় ছিল, যখন সত্যজিৎ রায় তাঁর গল্পে এমন সব যন্ত্র, চরিত্র আর পরিস্থিতির কথা লিখতেন, যা শুনে আমরা ভাবতাম, ‘এ তো কল্পবিজ্ঞান!’ কিন্তু এখন? ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমরা দেখি, সেই কল্পনা এখন আমাদের চারপাশে।
Published By: Suhrid DasPosted: 05:21 PM May 01, 2026Updated: 05:22 PM May 01, 2026

মানুষের ভাষা বোঝা, তা বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা, যা এখন ‘এআই’-এর মূল শক্তি– সত্যজিৎ বহু আগেই কল্পনা করেছিলেন। ‘রোবু’ ছিল আরও উন্নত। তার মধ্যে ছিল আত্মসচেতনতা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। শঙ্কু সিরিজের বহু গল্পে এমন সব আবিষ্কারের কথা লিখেছেন তিনি, যা হালের ‘এআই’ প্রযুক্তিধন্য। ২ মে সত‌্যজিৎ রায়ের জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ নিবন্ধ। লিখেছেন দীপ্র ভট্টাচার্য।  

Advertisement

যা, সত্যজিৎ রায় (১৯২১-১৯৯২) কল্পনা করেছিলেন, এত বছর পরে ‘এআই’ কিন্তু ঠিক তাই করে দেখাচ্ছে! প্রযুক্তি যেখানে এখনও পৌঁছয়নি, সেখানে তিনি কল্পনায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। একটা সময় ছিল, যখন সত্যজিৎ রায় তাঁর গল্পে এমন সব যন্ত্র, চরিত্র আর পরিস্থিতির কথা লিখতেন, যা শুনে আমরা ভাবতাম, ‘এ তো কল্পবিজ্ঞান!’ কিন্তু এখন? ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমরা দেখি, সেই কল্পনা এখন আমাদের চারপাশে। আর, এর নেপথ্যে সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হল ‘এআই’। আর তাই সত্যজিৎ রায় ছিলেন–ভবিষ্যতের প্রযুক্তিকে ছুঁয়ে যাওয়া এক কল্পবিজ্ঞানী। এমন এক কল্পনাবিদ, যার চিন্তা এখনকার ‘এআই’ যুগেও প্রাসঙ্গিক। কল্পনায় তিনি এমন কিছু সৃষ্টি করেছেন, যা একবিংশ শতকের প্রযুক্তি-বিশ্বকে পর্যন্ত অবাক করে দেয়। 

২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমরা দেখি, সেই কল্পনা এখন আমাদের চারপাশে। আর, এর নেপথ্যে সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হল ‘এআই’। আর তাই সত্যজিৎ রায় ছিলেন–ভবিষ্যতের প্রযুক্তিকে ছুঁয়ে যাওয়া এক কল্পবিজ্ঞানী। এমন এক কল্পনাবিদ, যার চিন্তা এখনকার ‘এআই’ যুগেও প্রাসঙ্গিক। কল্পনায় তিনি এমন কিছু সৃষ্টি করেছেন, যা একবিংশ শতকের প্রযুক্তি-বিশ্বকে পর্যন্ত অবাক করে দেয়।

যে-সময় কম্পিউটার বলতে বোঝাত পুরো ঘরজোড়া জটিল যন্ত্র, সে-সময়ই সত্যজিৎ রায় তাঁর লেখা ‘প্রফেসর শঙ্কু’-তে তুলে ধরেছেন এমন সব আবিষ্কার, যেগুলো আধুনিক ‘এআই’-এর ছায়াস্বরূপ। রায়ের প্রফেসর শঙ্কু চরিত্রটি শুধু একজন কল্পনাপ্রসূত বিজ্ঞানী নয়, বরং ভবিষ্যতের প্রযুক্তির প্রতি তাঁর গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও কল্পনাশক্তির প্রতীক। রায় তাঁর শঙ্কু সিরিজে এমন কিছু আবিষ্কারের বর্ণনা দিয়েছেন, যা এখনকার ‘এআই’ ও প্রযুক্তির সঙ্গে বিস্ময়করভাবে মিলে যায়। রোবটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মানবদেহ, জৈবপ্রযুক্তি, মস্তিষ্ক, স্মৃতি, আবেগ, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, মহাকাশ প্রযুক্তি, ভাষা, অনুবাদ, যোগাযোগ প্রযুক্তি, খাদ্য ও জীবনধারায় আমরা পেয়েছি তার দিগন্তকারী কল্পাবিষ্কার।

‘বিধুশেখর’ ছিল শঙ্কুর তৈরি এক রোবট, কিন্তু তাকে নিছক যন্ত্র বলা যায় না। সে প্রশ্ন বোঝে, উত্তর দেয়, এমনকী পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতিক্রিয়াও জানায়। এখনকার ‘এআই চ্যাটবট’ বা ভাষাভিত্তিক মডেলগুলির সঙ্গে এর বিস্ময়কর মিল রয়েছে। মানুষের ভাষা বোঝা এবং তা বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা, যা এখন ‘এআই’-এর মূল শক্তি– সত্যজিৎ বহু আগেই কল্পনা করেছিলেন। ‘রোবু’ ছিল আরও উন্নত। তার মধ্যে ছিল আত্মসচেতনতা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। এই ধারণা এখনকার স্বয়ংক্রিয় এআই সিস্টেম, এমনকী স্বচালিত রোবট বা মেশিন লার্নিং মডেলের সঙ্গে মিলে যায়। রোবু শুধু নির্দেশ মানে না, নিজেই সিদ্ধান্ত নেয়– এটাই তাকে আধুনিক ‘দায়িত্বপূর্ণ এআই’-এর পূর্বসূরি করে তোলে। ‘ইন্টেলেকট্রন’ নামের যন্ত্রটি মানুষের বুদ্ধিমত্তা মাপতে পারত। এখনকার ‘এআই’-ভিত্তিক ‘সাইকোমেট্রিক টেস্টিং’ বা ‘কগনিটিভ অ্যানালিসিস’ টুল ঠিক একই কাজ করছে–ডেটা বিশ্লেষণ করে মানুষের মেধা, দক্ষতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নির্ধারণ করছে। 

‘ইন্টেলেকট্রন’ নামের যন্ত্রটি মানুষের বুদ্ধিমত্তা মাপতে পারত। এখনকার ‘এআই’-ভিত্তিক ‘সাইকোমেট্রিক টেস্টিং’ বা ‘কগনিটিভ অ্যানালিসিস’ টুল ঠিক একই কাজ করছে–ডেটা বিশ্লেষণ করে মানুষের মেধা, দক্ষতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নির্ধারণ করছে।

‘অর্নিথন’ যন্ত্রর কাজ ছিল, পাখিদের ভাষা বলতে ও বুঝতে শেখানো। এই ধারণা শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, এখনকার ‘এআই’-চালিত অ্যানিমাল কমিউনিকেশন রিসার্চ এদিকেই এগোচ্ছে। প্রাণীদের আচরণ বিশ্লেষণ করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চলছে– যা রায়ের কল্পনারই বাস্তব প্রতিফলন। প্রফেসর শঙ্কুর ‘মিরাকিউরল’ হল এমন এক ওষুধ, যা সব রোগ সারাতে পারে। যদিও এটি এখনও বাস্তব হয়নি, তবে ‌‘এআই’-চালিত ড্রাগ ডিসকভারি গবেষণা দ্রুতগতিতে এগচ্ছে, যেখানে অ্যালগরিদম নতুন ওষুধের সম্ভাবনা তৈরি করছে। একদিন হয়তো ‘মিরাকিউরল’-এর কাছাকাছি কিছু বাস্তবেই তৈরি হবে।

‘এভলুটিন’ ছিল বিবর্তন ঘটানোর ওষুধ। এখনকার জিন এডিটিং প্রযুক্তি, বিশেষ করে ‘CRISPR’, সেই একই ধারণাকে বৈজ্ঞানিকভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। জিন পরিবর্তন করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ– এই চিন্তা রায় বহু আগেই করেছিলেন। ‘স্নাফ গান’ ছিল অদ্ভুত এক অস্ত্র, যা হাঁচির মাধ্যমে শত্রুকে অক্ষম করে–রক্তপাত ছাড়াই। আধুনিক নন-লেথাল অস্ত্র প্রযুক্তি, যেমন ভিড় নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম, একই নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি–ক্ষতি না করে নিয়ন্ত্রণ। ‘এয়ার-কন্ডিশনিং পিল’ শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারত। এখনকার ‘স্মার্ট ওয়্যারেবল ডিভাইস’ বা বডি-রেগুলেশন প্রযুক্তি একই সমস্যার সমাধান দিচ্ছে, যদিও পদ্ধতি ভিন্ন। 

নিউরোসায়েন্স এবং ‘এআই’ এখন ঠিক এই বিষয়টিকেই গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে–মানুষের স্মৃতি কীভাবে সংরক্ষিত হয় এবং তা কীভাবে পুনরুদ্ধার করা যায়। সত্যজিতের কল্পনায়, ‘সেরিব্রেলান্ট’ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াত।

‘রিমেমব্রেন’ যন্ত্র, ভুলে যাওয়া স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে পারত। নিউরোসায়েন্স এবং ‘এআই’ এখন ঠিক এই বিষয়টিকেই গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছে–মানুষের স্মৃতি কীভাবে সংরক্ষিত হয় এবং তা কীভাবে পুনরুদ্ধার করা যায়। সত্যজিতের কল্পনায়, ‘সেরিব্রেলান্ট’ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াত। এখনকার নুট্রপিক্‌স বা স্মার্ট ড্রাগস গবেষণা, ব্রেন-স্টিমুলেশন প্রযুক্তি এবং ‘এআই’-সহায়ক ‘নিউরোএনহান্সমেন্ট’ এই ধারণার বাস্তব রূপ খুঁজছে। ‘শঙ্কোপ্লেন’ ছিল এমন এক উড়ন্ত যান, যা খুব অল্প জায়গা থেকে উল্লম্বভাবে ওঠানামা করতে পারত। এখনকার ‘eVTOL’ (electric vertical take-off and landing) প্রযুক্তি ঠিক এই ধারণাকেই বাস্তবে রূপ দিচ্ছে। ভবিষ্যতের শহরে ট্রাফিক কমানোর জন্য উড়ন্ত ট্যাক্সি নিয়ে যে-গবেষণা চলছে, তা যেন শঙ্কুর ল্যাব থেকেই বেরিয়ে এসেছে।

‘নিও-স্পেকট্রোস্কোপ’ ছিল আরও রহস্যময়–এটি মৃত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারত। যদিও বাস্তবে এমন প্রযুক্তি এখনও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়, কিন্তু এখনকার ‘এআই’-চালিত ‘ডিজিটাল অবতার’ বা মৃত ব্যক্তির ডেটা দিয়ে তৈরি ভার্চুয়াল ব্যক্তিত্ব সেই ধারণার মতোই ব্যাখ্যা দিচ্ছে। মানুষ তার প্রিয়জনের স্মৃতি ধরে রাখতে চাইছে প্রযুক্তির সাহায্যে–এটাই রায়ের কল্পনার মানবিক দিক। ‘টাইম মেশিন’-এর ধারণা বিজ্ঞানের অন্যতম চিরন্তন কৌতূহল। রায় এটিকে গল্পে ব্যবহার করলেও, এখন এআই-চালিত সিমুলেশন প্রযুক্তি অতীতকে পুনর্গঠন করতে পারছে। ঐতিহাসিক ঘটনাগুলির ডিজিটাল মডেল তৈরি করে আমরা যেন সময়ের ভিতরেই ফিরে যাচ্ছি– যদিও তা বাস্তব ভ্রমণ নয়, কিন্তু অভিজ্ঞতা অনেকটাই কাছাকাছি। ‘মাইক্রোসোনোগ্রাফ’ এমন এক যন্ত্র, যা অত্যন্ত ক্ষীণ শব্দও ধরতে পারে। এখনকার ‘এআই’-ভিত্তিক অডিও অ্যানালিটিক্স প্রযুক্তি, যেমন সাব-সনিক সিগনাল ডিটেকশন বা সাউন্ড প্যাটার্ন বিশ্লেষণ, সেই একই ধারণাকে বাস্তব করে তুলেছে। নিরাপত্তা, চিকিৎসা, এবং গবেষণায় এই প্রযুক্তির গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। 

‘নিও-স্পেকট্রোস্কোপ’ ছিল আরও রহস্যময়–এটি মৃত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারত। যদিও বাস্তবে এমন প্রযুক্তি এখনও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়, কিন্তু এখনকার ‘এআই’-চালিত ‘ডিজিটাল অবতার’ বা মৃত ব্যক্তির ডেটা দিয়ে তৈরি ভার্চুয়াল ব্যক্তিত্ব সেই ধারণার মতোই ব্যাখ্যা দিচ্ছে।

‘লিঙ্গুয়াগ্রাফ’ যন্ত্র, যে কোনও ভাষা অনুবাদ করতে পারত– মানুষের ভাষা তো বটেই, এমনকী প্রাণী বা উদ্ভিদের ভাষাও। এআই-চালিত অনুবাদ প্রযুক্তি বহু ভাষার মধ্যে যোগাযোগ সহজ করে তুলেছে এখন। আরও বিস্ময়কর হল, প্রাণীদের শব্দ বিশ্লেষণ করে তাদের ‘ভাষা’ বোঝার চেষ্টাও চলছে–যা রায়ের কল্পনারই এক বাস্তব প্রতিফলন। শঙ্কুর ‘ওমনিস্কোপ’ ছিল একাধিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রের সমন্বয়– মাইক্রোস্কোপ, টেলিস্কোপ এবং এক্স-রে একসঙ্গে। এখনকার ‘অগমেন্টেড রিয়েলিটি’, ‘ভার্চুয়াল রিয়েলিটি’ ও ‘এআই ভিশন’ প্রযুক্তি এই ধারণাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। একটি ডিভাইস থেকেই আমরা এখন মাইক্রো ও ম্যাক্রো–দুই জগৎই দেখতে পাচ্ছি। ‘ইনভিজিবিলিটি ড্রাগ’ বা অদৃশ্য হওয়ার ধারণা শুনতে যেন রূপকথার মতো। কিন্তু আধুনিক অপটিকাল ক্যামোফ্লাজ প্রযুক্তি, যেখানে আলো এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে কোনও বস্তু চোখে না পড়ে, সেই স্বপ্নকেই বাস্তবের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। যদিও পুরোপুরি অদৃশ্য হওয়া এখনও সম্ভব নয়, তবে গবেষণা দ্রুত এগোচ্ছে।

‘বটিকা ইন্ডিকা’ ছিল দিগন্তকারী এক আবিষ্কার, যা খাওয়া ছাড়াই শরীরকে দীর্ঘ সময় সুস্থ রাখতে পারে। মহাকাশ অভিযানে ব্যবহৃত পুষ্টি প্রযুক্তি, যেখানে অল্প খাবারেই প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি সরবরাহ করা হয়, তার সঙ্গে এই ধারণার মিল রয়েছে। ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট মোকাবিলায় এমন প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। ‘তৃষ্ণাশক’ এক পিলেই তৃষ্ণা মেটাতে পারে– হালের ‘ডিহাইড্রেশন রিকভারি’ প্রযুক্তি একই সমস্যার সমাধান খুঁজছে। বিশেষ করে কঠিন পরিবেশে, যেমন মরুভূমি বা মহাকাশে, এই ধরনের সমাধান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সত্যজিতের, প্রফেসর শঙ্কুর কল্পিত আবিষ্কারসমূহ যেন এক-একটি বৈজ্ঞানিক দূরদর্শিতার দলিল। এখন আমরা যেসব প্রযুক্তিকে ভবিষ্যতের ‘এআই’ বলি, সত্যজিৎ তা গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়েই গল্পে লিখে ফেলেছিলেন। সত্যজিৎ রায় শুধু গল্প লিখতেন না, সিনেমা বানাতেন না, তিনি সময়কে পড়তেন এবং ভবিষ্যৎকে বোঝার অসাধারণ ক্ষমতা রাখতেন। সেই সময় তিনি দেখিয়েছেন চিন্তার এমন সব প্রেক্ষিত ও আঙ্গিক, যেগুলি এখনম ‘এআই’-এর মাধ্যমে সম্ভব হচ্ছে। এখন বিজ্ঞান তঁার সেই কল্পনাকেই অনুসরণ করছে। এ কারণেই তিনি আমাদের সবচেয়ে আধুনিক ভবিষ্যৎদ্রষ্টা কল্পনাবিদ। 

(মতামত নিজস্ব)

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement