বঙ্গনারীর সঙ্গে শাড়ির সম্পর্ক একেবারে রাজযোটক। যতই সালোয়ার, জিনসের বাহার থাকুক... সব মেয়েরাই বোধহয় একবার সুযোগ খোঁজে শাড়ি পরার। প্রিয় পুরুষের চোখে মোহিনী হয়ে উঠতে কিংবা কোনও আচমকা গেট টুগেদারে 'শো স্টপার' হতে শাড়িতেই মুক্তি খোঁজে বাঙালি তরুণীরা। কিন্তু অনেক সময়ই সেই ইচ্ছেকে দমন করতে হয় নিজেদের পৃথুলা শরীরের কথা ভেবে। কিন্তু এটা আদপে কোনও সমস্যাই নয়। শাড়িতে নিজেকে তন্বী করে তুলতে স্রেফ এই টিপসগুলো মেনে চলুন।
ক্রেপ, শিফন বা জর্জেটের শাড়ি বেছে নিন। এই ধরনের ফ্যাব্রিকের মজাই হল শরীরী হিল্লোলকে তা নিজের মতো করে গড়ে নেয়। ফলে আপনার চেহারা যদি একটু ভারীর দিকেও হয়, এই সব শাড়িতে ঠিকই মন জয় করতে পারবেন। হয়ে উঠবেন আকর্ষণীয়া।
প্রিয় পুরুষের চোখে মোহিনী হয়ে উঠতে কিংবা কোনও আচমকা গেট টুগেদারে 'শো স্টপার' হতে শাড়িতেই মুক্তি খোঁজে বাঙালি তরুণীরা। কিন্তু অনেক সময়ই সেই ইচ্ছেকে দমন করতে হয় নিজেদের পৃথুলা শরীরের কথা ভেবে।
আরেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শাড়ির ডিজাইন। শাড়ির নকশাই হতে পারে তন্বী দর্শনের 'গোপন অস্ত্র'। শাড়িতে জ্যামিতিক বা উল্লম্ব স্ট্রাইপ থাকলে লম্বা ও রোগা লাগে। কাজেই এই টিপসেই হতে পারে কেল্লা ফতে।
কালো শাড়ি পরতে ভালোবাসেন? এই রং কিন্তু ম্যাজিক দেখাতে পারে। আসলে কালো শাড়ি পরলে তা আলোকে প্রতিফলিত না করে শুষে নেয়। তাই কালো কিংবা ঘন বেগুনি বা নীল রঙের শাড়ি পরলে একা তন্বী এফেক্ট নিজে থেকেই চলে আসবে।
শাড়ির সঙ্গে সায়া কী পরছেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। এমন ধরনের সায়া আছে, যা পরলে এমনিতেই শরীরে একটা মেদের ছাপ ফুটিয়ে তোলে। এর উলটোও রয়েছে। ঠিকঠাক ফিট করে এমন সায়া পরলে তার উপরে শাড়ি জড়ালে বাড়তি মেদ ঢাকা থাকবে। আপনি হবেন তন্বী সুন্দরী। একই কথা বলা যায় ব্লাউজ প্রসঙ্গেও। এর সঙ্গে মাথায় রাখুন হিল জুতোর কথাও। হিল জুতো পরলেও অপেক্ষাকৃত অনেকটাই রোগা দেখাবে। তবে দেখবেন, হিল পরার সময় অস্বাচ্ছন্দ্য যেন আপনার সঙ্গী না হতে পারে।
আর শাড়িতে মোহময়ী তন্বী হয়ে ওঠার সবচেয়ে বড় ট্রিক হল আত্মবিশ্বাস। যে কোনও পোশাকেই নিজেকে ঝকঝকে দেখাতে এর চেয়ে বড় অবলম্বন আর কিছু নেই। আপনি যেমন, তাতেই হয়ে উঠুন স্বচ্ছন্দ। নিজেকে নিয়ে খুশি থাকুন। তাহলেই কেল্লাফতে।
