shono
Advertisement
Border 2 Review

সানির গর্জনে কাঁপল সিনেমাহল, আঠাশ বছর আগের স্মৃতি উসকে কেমন হল 'বর্ডার ২'?

বড়পর্দায় মুক্তির পর থেকেই এই ছবি যে বক্সঅফিসে বেশ ভালোই দৌড়াচ্ছে সে কথা বলাই বাহুল্য। আবেগ আর নস্ট্যালজিয়ার কাঁধে ভর করে কেমন হল 'বর্ডার ২'? পড়ুন রিভিউ।
Published By: Arani BhattacharyaPosted: 06:04 PM Jan 25, 2026Updated: 06:25 PM Jan 25, 2026

১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত অনুরাগ সিং পরিচালিত ছবি 'বর্ডার ২' (Border 2 Review) পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ২৩ জানুয়ারি। এই ছবি ঘিরে আপামর ভারতবাসীর জড়িয়ে আছে এক আবেগ। অনেকে আবার আঠাশ বছর আগে মুক্তিপ্রাপ্ত 'বর্ডার' ছবির কথা স্মরণ করেও নস্ট্যালজিক হয়েছেন। বড়পর্দায় মুক্তির পর থেকেই এই ছবি যে বক্সঅফিসে বেশ ভালোই দৌড়াচ্ছে সে কথা বলাই বাহুল্য। পর্দায় সানির গর্জন প্রেক্ষাগৃহ রীতিমতো কাঁপিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু আবেগ আর নস্ট্যালজিয়ার কাঁধে ভর করে কেমন হল এই ছবি জেনে নিন।

Advertisement

এককথায়, এই ছবি শুধুই এদেশের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরেছে তা নয়। বরং এই ছবিতে প্রত্যেক দেশবাসীর আবেগকে সমানভাবে মূল্য দেওয়াও যে এক বড় কর্তব্য তা সুনিপুণভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন পরিচালক। এ যে এক বড় দায়িতে সে কথা বললেও ভুল হবে না। পরিচালক যেন তা পুঙ্খানুপুঙ্খ তুলে ধরেছেন। শুধু তাই নয়, একইসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে ভারতীয় সেনার তিন বাহিনীর বীরগাথা। ছবিতে সানি দেওল যেন ফের প্রমাণ করে দিয়েছেন পর্দায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নেওয়ার মতোই এই ছবির দায়িত্বও যেন তাঁর কাঁধেই বেশিরভাগটা বর্তেছে। তাঁর মুখে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু সংলাপ শুনে সিনেমাহল ফেটে পড়ে দর্শকের হাততালি আর সিটিতে। বিশেষ করে 'ইদে ভারতে যত পাঁঠা কাটা হয় পাকিস্তানে তত লোকই নেই।' এই সংলাপে যেন আলাদা করে উন্মাদনায় ফেটে পড়ার রসদ জুগিয়েছে ভারতবাসীকে। বলে রাখা জরুরি, একাধিক পাক-বিরোধী সংলাপের জেরেই 'ধুরন্ধরে'র পর এবার মধ্যপ্রাচ্যে নিষিদ্ধ হয়েছে 'বর্ডার ২'ও। সানির পাশাপাশি এই ছবির প্রধান চরিত্রে বরুণ ধাওয়ান, দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ, অহন শেট্টির অভিনয় যথেষ্ট পরিণত। দেশপ্রেমের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি এই ছবি যে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা তৈরি করে তা বলাই বাহুল্য। আর তা ফুটে উঠেছে পর্দায় বরুণ, দিলজিৎ ও অহনের হাত ধরে।

ভারত-পাক সংঘাতের প্রেক্ষাপট সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি মানবিকতাকেও সেখানে স্থান দেওয়া হয়েছে। তবে ছবির প্রথমভাগ আবেগের উপর ভর করে যেভাবে এগোয় তাতে মাঝেমাঝে খানিক একঘেয়ে লাগে বইকি। সেদিক থেকে বলতে গেলে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার এই ছবিতে প্রথম ভাগ এতটা আবেগের উপর ভর করে না নির্মাণ করলেও চলত। ছবির দৈর্ঘ্য আরও খানিক কমলে তার বুনোট আরও মজবুত হত বলেই মনে হয়। এবার প্রশ্ন আসতে পারে এই ছবিতে অক্ষয় খান্না, পুণীত ইশার ও সুনীল শেট্টিকে কীভাবে পাওয়া যাবে? তা নয় নাই বা খোলসা করলাম। সেটা খানিক চমক হিসেবেই তোলা থাক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement