shono
Advertisement
Masala Chai

স্রেফ পানীয় নয়, আবেগ! বিশ্বসেরার তকমা ছিনিয়ে আনল ভারতের 'মশলা চা'

এক কাপ গরম চায়ে চুমুক। আর দুনিয়ার তাবৎ সমস্যার সমাধান। পাড়ার আড্ডায় হোক বা অফিসের ব্যস্ততায়। বৃষ্টির বিকেল হোক বা প্রাত্যহিক সকাল। চা ছাড়া বাঙালির, তথা আপামর ভারতবাসীর ঠিক চলে না। এই অমৃতসুধা স্রেফ কোনও পানীয় নয়। এ এক আবেগ। এক দৈনন্দিন ঘরোয়া উৎসব।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 10:33 AM May 31, 2026Updated: 10:33 AM May 31, 2026

এক কাপ গরম চায়ে চুমুক। আর দুনিয়ার তাবৎ সমস্যার সমাধান। পাড়ার আড্ডায় হোক বা অফিসের ব্যস্ততায়। বৃষ্টির বিকেল হোক বা প্রাত্যহিক সকাল। চা ছাড়া বাঙালির, তথা আপামর ভারতবাসীর ঠিক চলে না। এই অমৃতসুধা স্রেফ কোনও পানীয় নয়। এ এক আবেগের নাম। এক দৈনন্দিন ঘরোয়া উৎসব। এবার সেই চিরচেনা চায়ের আড্ডায় যোগ হল নতুন এক আন্তর্জাতিক তকমা। বিশ্বমঞ্চে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা ছিনিয়ে নিল ভারতের মশলা চা। কী অবাক হচ্ছেন?

Advertisement

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় গ্লোবাল ফুড গাইড 'টেস্টঅ্যাটলাস'-এর সাম্প্রতিক মে সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের সেরা ১০০টি চায়ের তালিকা। আর সেই তালিকাতেই পয়লা নম্বর দখল করে বিশ্বজয় করেছে ভারতের মশলা চা। অবশ্য চা-প্রেমীদের কাছে এ তথ্য নতুন কিছু নয়, তারা তো মনে মনে এই সেরার আসন বহু আগেই দিয়ে রেখেছিলেন। তবে শুধু মশলা চা-ই নয়, ভারতের বৈচিত্র্যময় চা সংস্কৃতির আরও বেশ কয়েকটি রত্ন এই আন্তর্জাতিক তালিকায় সগর্বে জায়গা করে নিয়েছে। সুগন্ধের জন্য বিশ্বখ্যাত দার্জিলিং চা রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। কড়া স্বাদের আসাম চা জায়গা করে নিয়েছে তেরো নম্বরে। এর পাশাপাশি কেরলের সুলাইমানি চা ৩৯তম, হিমাচল প্রদেশের কাংড়া চা ৪১তম এবং জম্মু-কাশ্মীরের ঐতিহ্যবাহী নোনতা স্বাদের গোলাপি 'নুন চাই' ৪৩তম স্থান অধিকার করেছে।

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের এই জয়যাত্রার পাশাপাশি বিশ্বতালিকায় অন্যান্য দেশের চায়ের দাপটও চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপানের বিশেষ ঘরানার রোস্টেড গ্রিন টি ‘হোজিশা’। এর ঠিক পরেই, তৃতীয় স্থানে নিজের জায়গা পাকা করেছে শ্রীলঙ্কার বিখ্যাত ‘সিলন ব্ল্যাক টি’। চতুর্থ স্থানে আবার ফিরে এসেছে জাপান, তাদের সুগন্ধী ‘সেনচা’ গ্রিন টি নিয়ে। আর পঞ্চম স্থানে রয়েছে চিনের ইউনান প্রদেশের ঐতিহ্যবাহী ভিন্টেজ চা ‘পু এরহ’।

ছবি: সংগৃহীত

তবে বিশ্বমঞ্চে ভারতের এই জয়জয়কার শুধু চায়ের স্বাদেই থমকে থাকেনি। চায়ের ব্র্যান্ড এবং বাগানের তালিকাতেও বাজিমাত করেছে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের দুই বিখ্যাত চা এস্টেট। যার মধ্যে অন্যতম পশ্চিমবঙ্গের কার্সিয়াং-এর ‘মাকাইবাড়ি টি এস্টেট’। ১৮৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বাগানটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন চা কারখানা হিসেবে সমাদৃত। অন্যটি হল আসামের ডিব্রুগড়ের ‘হালমারি টি এস্টেট’। শতবর্ষের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই বাগান তার কড়া ও সুস্বাদু স্বাদের চায়ের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। সুতরাং, এ দেশে ‘চায় পে চর্চা’ যে কেবল কথার কথা নয়, তা আন্তর্জাতিক স্তরেও প্রমাণিত হল। চা না খেয়েও যে কেউ এই চায়ের আড্ডার মূল স্রোতে মিশে যেতে পারেন, এটাই ভারতের এই অনন্য সংস্কৃতির জাদু।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার