তিনিই চাণক্য। তিনিই চালিকাশক্তি। ডাগআউটে বসেই এই ব্রাজিল দলের আসল শক্তি কার্লো আন্সেলোত্তি। এমনিতে লোকটা রাশভারী প্রকৃতির। দল চাপে পড়লেও তিনি চাপে পড়েন না। বা পড়লেও সেটা প্রকাশ করেন না। আবার জয়ে বিশেষ উচ্ছ্বাসও দেখা যায় না তাঁর চোখেমুখে। তবে তাঁর একটা স্বভাব বড় লক্ষনীয়। চুইং গাম বড় ভালোবাসেন ব্রাজিলের হেড কোচ। সেই চুইং গাম নিয়েই বড়সড় কাণ্ড ঘটে গেল ব্রাজিলের ম্যাচ চলাকালীন।
মাঠে তখন মরণবাঁচন লড়াই করছে ব্রাজিল। জাপানের বিরুদ্ধে। হঠাৎ দেখা গেল রিজার্ভবেঞ্চের সামনে হাতে একটা প্যাকেট নিয়ে দাঁড়িয়ে এনড্রিক। যা খুলে কিছু একটা তুলে মুখে পুরলেন তিনি। তারপর প্যাকেটটা ধরালেন পাশে থাকা দানিলোকে। ব্রাজিলীয় মিডফিল্ডার আবার ভেতরে থাকা বস্তু দিলেন অন্য সতীর্থদের। পরে সেই গ্যংয়ে যোগ দিলেন নেইমারও।
অব্যহতি পরে এনড্রিকদের দেখে বোঝা গেল, প্যাকেট থেকে চুইংগাম নিচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই প্যাকেটের মালিক কে? সেখানেই চমক। ওই চুইংগাম ছিল স্বয়ং কোচ কার্লো আন্সেলোত্তির। অর্থাৎ, খোদ হেড স্যরের সামগ্রীই চুরি করে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন ছাত্ররা। সেই কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন দলের কনিষ্ঠতম সদস্য এনড্রিক। তাতে আবার শামিল নেইমারের মতো কিংবদন্তিও।
এতেই ব্রাজিল দলের পরিবেশটা বোঝা যায়। যে দলে হেডকোচের চুইংগাম চুরি করে দিব্যি ভাগাভাগি করে খেয়ে নিতে পারেন টিমের সবচেয়ে ছোট থেকে সবচেয়ে সিনিয়র সদস্য, সে দলের পরিবেশ যে ফুরফুরে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও এনড্রিককে ওই চুইংগাম চুরির কোনও শাস্তি পেতে হয়েছিল কিনা স্পষ্ট নয়।
