shono
Advertisement
Erling Haaland FIFA World Cup 2026

'ব্রাজিলকে হারানোর সম্ভাবনা খুব কম', স্বীকারোক্তি হালান্ডের, ৯৮-এর রূপকথা ফেরাতে চান ওডেগার্ড

২৩ জুন, ১৯৯৮। মার্সেইঁয়ের স্টাডে ভেলোড্রাম। স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল ফুটবলবিশ্ব। বিশ্বকাপে টানা ন’ম্যাচ অপরাজিত ব্রাজিলকে মাটিতে নামিয়ে এনেছিল স্ক্যান্ডেনেভিয়ার দেশটি।
Published By: Subhajit MandalPosted: 01:43 PM Jul 02, 2026Updated: 02:52 PM Jul 02, 2026

২৩ জুন, ১৯৯৮। মার্সেইঁয়ের স্টাডে ভেলোড্রাম। স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল ফুটবলবিশ্ব। বিশ্বকাপে টানা ন’ম্যাচ অপরাজিত ব্রাজিলকে মাটিতে নামিয়ে এনেছিল স্ক্যান্ডেনেভিয়ার একটা দেশ। ততদিনে সেলেকাওরা চারবারের বিশ্বজয়ী। সেখানে ওই দেশটা বিশ্বকাপ খেলছিল তৃতীয়বার। আগেই নকআউটে চলে যাওয়ায় ম্যাচের গুরুত্ব বিশেষ ছিল না ব্রাজিলের কাছে। কিন্তু তারপরও তারকাখচিত সেলেকাও ক্যানারিনহোর রং ফ্যাকাসে হয়ে গিয়েছিল একঝাঁক অনামী ফুটবলারদের দৌড়ে।

Advertisement

২৮ বছর পর ফের সেই দেশ, সেই নরওয়ের মুখোমুখি হতে চলেছে ব্রাজিল। আগামী শনিবার রাতে, মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে। দু’টো ম্যাচের মাঝে পৃথিবী বদলে গিয়েছে অনেকটাই। ফুটবলও। দুই দেশেই। ব্রাজিল আরও একটা বিশ্বকাপ জিতেছে বটে। তবে এখন আর ফুটবলগ্রহে তারা অবিসংবাদিত নেতা নয়। বরং এখনও শেষ পাঁচটা বিশ্বকাপে ফাইনালেই উঠতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বজয়ীরা। দলে তারকার অভাব না থাকলেও এখন আর ‘গ্যালাকটিকো’ নয় সাম্বা ব্রিগেড। সেখানে নরওয়েতে ‘প্রতিভাবান’ নামের সংখ্যা অনেক বেশি। ২৮ বছর আগে তাদের স্কোয়াডে ওলে গানার সোলসায়ার ছাড়া তেমন কোনও পরিচিত মুখ ছিল না। কিন্তু বর্তমানে আর্লিং হালান্ড (Erling Haaland), মার্টিন ওডেগার্ড, আন্তোনিও নুসা, আলেকজান্ডার সোরলোথরা ইউরোপীয় ফুটবলে বড় নাম। ম্যাঞ্চেস্টার সিটির হয়ে ট্রেবল থেকে শুরু করে প্রিমিয়ার লিগে গোল্ডেন বুট জিতেছেন হালান্ড। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে এবার আর্সেনালকে প্রিমিয়ার লিগ জেতাতে বড় ভূমিকা নিয়েছেন ওডেগার্ড। ফলে নেইমার, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনহা, মার্কুইনোসের মতো তারকায় সমৃদ্ধ হলেও এই ব্রাজিল যে নরওয়ের ধরাছোঁয়ার বাইরে, সেরকম মনে করছেন না পণ্ডিতরা।

হালান্ড-ওডেগার্ডরা অবশ্য মনে করছেন, ব্রাজিল ম্যাচ বেশ কঠিন হতে চলেছে তাঁদের জন্য। মঙ্গলবার রাতে রাউন্ড অফ ৩২-এ আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়েছে নরওয়ে। যার পর হালান্ডকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ব্রাজিলকে হারিয়ে তাঁদের কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা কতটা? এক মুহূর্ত ভেবে নরওয়ে ফরোয়ার্ড জবাব দিয়েছেন, “খুব কম।” একই প্রশ্নের জবাবে ওডেগার্ড আবার বলেছেন, “কঠিন ম্যাচ হতে চলেছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের থেকে বড় প্রতিপক্ষ নেই। একজন ফুটবলারের কাছে এটাই সর্বশ্রেষ্ঠ চ্যালেঞ্জ।”

সঙ্গে ২৮ বছর আগের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন তিনি। “ব্রাজিল বনাম নরওয়ে (Brazil vs Norway) ম্যাচটা আমাদের কাছে রূপকথার মতো। ছোটবেলা থেকে ওই ম্যাচের কাহিনী শুনেছি আমরা। এমন একটা ম্যাচ ভাগ্যবানরা খেলার সুযোগ পায়। আমরা সেই সুযোগ পেয়েছি, ফলে সবাই খুব উত্তেজিত।” মার্সেইঁয়ের পুনরাবৃত্তি মেটলাইফে করাই এখন লক্ষ্য ওডেগার্ডদের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement