ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ফুটবলজীবনে সব শৃঙ্গই ছুঁয়ে ফেলেছেন। অধরা একটা শৃঙ্গ। আর সেটাই যে সর্বোচ্চ, কুলীনদের মধ্যে কুলীন। বিশ্বকাপ ফুটবল। যে মঞ্চে সেমিফাইনাল খেলাই রোনাল্ডো এবং তাঁর দেশ পর্তুগালের সেরা সাফল্য। তবে এবার যদি বিশ্বকাপ পর্তুগিজ নক্ষত্রের অপেক্ষা শেষ হয়, তাতে আপত্তি নেই প্রবাদপ্রতিম সেলেকাও ফুটবলার রোনাল্ডিনহোর। অবশ্য একটা শর্তও আছে তাতে। একমাত্র যদি ব্রাজিলের হাতে যদি না ওঠে, তবে রোনাল্ডোর হাতে ট্রফি দেখতে চাইবেন সাম্বা মহাতারকা।
বিশ্বকাপের উদ্বোধন উপলক্ষে মেক্সিকো সিটির এস্তাদিয়ো আজতেকায় উপস্থিত হয়েছিলেন রোনাল্ডিনহো। সেখানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছে রোনাল্ডোর প্রশংসা। "ক্রিশ্চিয়ানো ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা। এত বছর ধরে যে নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা এবং ধারাবাহিকতা ও দেখাচ্ছে, তাকে সম্মান জানাতেই হবে।" এরপরই নিজের দ্বিতীয় পছন্দ হিসেবে পর্তুগালের কথা উল্লেখ করেন রোনাল্ডিনহো। তাঁর কথায়, “পর্তুগাল যদি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, তবে ফুটবলে ক্রিশ্চিয়ানোর যাত্রা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। বিশ্ব ফুটবলের সেরা মঞ্চে এমন কিছু যদি হয়, সেটা এই খেলাটার জন্যও ভালো হবে।"
রবিবার ভোররাতে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ব্রাজিল। কিন্তু পাঁচবারের বিশ্বজয়ীরা রীতিমতো ছন্নছাড়া ফুটবল খেলেছে মরক্কোর বিরুদ্ধে।
২০০৬ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে নেমেছিলেন রোনাল্ডো। সেবার চতুর্থ হয় পর্তুগাল। বিশ্বকাপে এটাই তাদের সেরা সাফল্য। এরপর আরও চারটি সংস্করণে অংশ নিলেও কাঙ্খিত সাফল্য পাননি সিআর। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপই তাঁর কাছে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার শেষ সুযোগ। অবশ্য রোনাল্ডোর হাতে কাপ রোনাল্ডিনহো তখনই দেখতে রাজি, যদি ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন না হয়। ২০০২ বিশ্বকাপে সাম্বা ব্রিগেডকে চ্যাম্পিয়ন করার অন্যতম কারিগর স্পষ্ট করে দিয়েছেন সেকথা। "প্রথমত, আমি চাই ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হোক। ব্রাজিল আমার দেশ। আর দেশের প্রতি সমর্থনে কোনও পরিস্থিতিতেই পরিবর্তন হয় না। তবে যদি ব্রাজিল না জেতে, তবে আমার সমর্থন পাবে পর্তুগাল", বলেছেন সেলেকাও ম্যাজিশিয়ান।
উল্লেখ্য, রবিবার ভোররাতে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ব্রাজিল। কিন্তু পাঁচবারের বিশ্বজয়ীরা রীতিমতো ছন্নছাড়া ফুটবল খেলেছে মরক্কোর বিরুদ্ধে। প্রথম ম্যাচ থেকে একটা পয়েন্ট পেয়েছে সেলেকাও।
