২০২৬ বিশ্বকাপের আগে ইরাকের সঙ্গে অতিরিক্ত একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে স্পেন। শনিবার স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আগামী ৪ জুন ঐতিহাসিক ডেপোর্টিভো লা করুনার রিয়াজোর স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, মেক্সিকো রওনা হওয়ার আগে এটাই স্পেনের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ। তবে মেক্সিকোতে পৌঁছে তারা আরও একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে পেরুর বিরুদ্ধে। স্পেন এবং ইরাক এর আগে ২০০৯ কনফেডারেশন কাপে মুখোমুখি হয়েছিল। সেবার স্পেন জিতেছিল ১-০ গোলে।
এবারের বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট হিসাবেই মাঠে নামতে চলেছে স্পেন। তবে স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেকে চিন্তায় রাখছে ফুটবলারদের চোট আঘাত। জানা গিয়েছে, ২৪ মে লা লিগা শেষ হচ্ছে। তারপর ফুয়েন্তে বিশ্বকাপের জন্য দল বেছে নিতে পারেন। আসলে তিনি চাইছেন, আঘাতপ্রাপ্ত ফুটবলারদের সুস্থ হওয়ার জন্য পরিপূর্ণ সময় দিতে। ইতিমধ্যে স্প্যানিশ তারকা লামিন ইয়ামাল চোটের কারণে বার্সেলোনার হয়ে চলতি মরশুমে আর কোনও ম্যাচ খেলতে পারবেন না। তাঁর হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট লেগেছে। তাঁর পক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে খেলার সম্ভাবনা কম।
এছাড়া নিকো উইলিয়ামস ফর্মে ফেরার জন্য লড়াই চালাচ্ছেন। দলের প্রধান মিডফিল্ডার মিকেল মোরিনোর বিশ্বকাপের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে তাঁর পায়ের পাতায় অস্ত্রোপচার হয়েছিল। তিনি এখনও সম্পূর্ণ ফিট হতে পারেননি। স্পেন এবারের বিশ্বকাপে ‘এইচ’ গ্রুপে রয়েছে। তাদের সঙ্গে আছে কেপ ভার্দে, সৌদি আরব এবং উরুগুয়ে। স্প্যানিশ দল তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৫ জুন। প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে। স্পেন এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এবারও তারা ফেভারিট হিসাবেই নামছে।
অন্যদিকে, বিশ্বকাপের পরই জাতীয় দল থেকে অবসর গ্রহণ করতে চলেছেন মেক্সিকোর কিংবদন্তি গোলরক্ষক গিলেরমো ওচোয়া। ৪১ বছরের ওচোয়া এর আগে পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলেছেন দেশের হয়ে। আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য মেক্সিকো এখনও পর্যন্ত তাদের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেনি। যদি বিশ্বকাপের দলে ওচোয়া সুযোগ পান, তা হলে তিনি ষষ্ঠবার ফুটবলের মহাযজ্ঞে পা রাখবেন।
